বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০ ২৬
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি::
৭ এপ্রিল ২০ ২২
৯:৪৬ অপরাহ্ণ

ন্যায় বিচার চেয়ে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ
বিশ্বনাথে এসআই’র সহায়তায় সাজানো মামলা: শিক্ষকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা হয়রানী শিকার
সিলেটের বিশ্বনাথ থানার এসআই মামুনুর রশীদের সহায়তায় শিক্ষকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দিয়ে হওরানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিশ্বনাথ থানার এসআই মামুনুর রশীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসির ১১জন স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ আছে, গত ২৯ মার্চ মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্বনাথ থানার এসআই মামুনুর রশীদ (বিপি নং-৮৫১৪১৬৭৭৭৪), পালেরচক গ্রামের লায়েক মিয়া ও সেজু মিয়ার বাড়িতে একজন কন্সটেবল নিয়ে মোটরসাইকেলে আসেন। বাড়িতে মহিলা, শিশু ও স্থানীয় কিছু খেলোয়ার ছিলেন। এসময় এসআই মামুন উপস্থিত লোকজনকে জানান, সাইদুর রহমানের স্ত্রী আছিয়া বেগমের গাছ কাটার একটি অভিযোগের তদন্তে এসেছেন। তখন উপস্থিত লোকজন এই বাড়িতে নতুন কোন গাছ কাটা হয়নি বলে জানান এবং ঘুরে দেখান। বেশ কিছুদিন পূর্বে সাইদুর রহমানের পুত্র যুক্তরাজ্য প্রবাসী এহিয়া মিয়া নিজে ও মানুষ দিয়ে রাতের বেলা কয়েকটি গাছ কাটালে লায়েক মিয়ার পক্ষে নাজমা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। এসআই মামুন নতুন কোন গাছ কাটা না পেয়ে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে কোন কিছু হয়নি জেনে থানায় ফিরে যান। কিন্তু এই দিনের অভিযোগ পরিবর্তন করে আছিয়া বেগম ও এহিয়া মিয়ার নিকট থেকে বড় অঙ্কের টাকা নিয়ে গত ৩১মার্চ এজাহারে ঘটনা উল্লেখ করে সূত্রে বর্ণিত মামলাটি রুজু করেন। ওই তারিখে বাদী ও বিবাদীর বাড়িতে কোন কথা কাটাকাটি হয়নি। অথচ বাদীনি ও স্বাক্ষীকে মারপিট, শ্লীলতাহানিসহ নানা অভিযোগে মামলাটি সাজানো হয়েছে। মামলার প্রথম স্বাক্ষী রুনা বেগমকে কোন মারপিট করা না হলেও, তার হাতে সাজানো বেন্ডিজ রয়েছে। মামলা রেকর্ডের পরই অর্থাৎ ১এপ্রিল রাত আড়াইটার দিকে পালেরচক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক লায়েক মিয়া ও তার ভাই সেজু মিয়াকে গ্রেফতারের জন্য তাদের বাড়িতে গিয়ে এসআই মামুন দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকার চেষ্টা করেন। লায়েকের বৃদ্ধা মা ও অসুস্থ পুত্র এবং মহিলাসহ পুলিশের এমন ধমক ও হুমকিপূর্ণ আচরণে আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে এসআই মামুন বাড়ি থেকে ফিরে যান। আছিয়া বেগমের স্বামী সাইদুর রহমান আসামী সেজু ও লায়েক মিয়ার নিকটাত্মীয় হন এবং একই বাড়ির বাসিন্দা হন। গত ২২মার্চ রামপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার খান বাদী বিবাদীদের চাচাতো ভাই ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন কয়েছ সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উভয় পক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য থানায় বৈঠকে বসেন। কিন্তু এসআই মামুনের ইশারায় ইঙ্গিতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী এহিয়া মিয়া বৈঠকে উপস্থিত হননি। এর প্রেক্ষিতে এসআই মামুনকে বাধ্য করে বড় অঙ্কের টাকা দিয়ে মামলাটি দায়ের করালেন। এই ভাবে যদি পুলিশের সহায়তায় কোন ঘটনা ছাড়াই মামলা দায়ের করে হয়রানী করা হয়, তাহলে গ্রামের মানুষ কোথায় গিয়ে ন্যায় বিচার পাবে। এব্যাপারে এসআই মামুনুর রশীদ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ।
ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ