৫:৪১ অপরাহ্ণ
সুবিদবাজারে আদালতের আদেশ অমান্য করে চলছে ব্যবসায়িক কার্যক্রম
সিলেট নগরীর সুবিদবাজারে আদালতের আদেশ অমান্য করে কার্যক্রম চালাচ্ছে ১৪ তলা বিশিষ্ট কুইন্স হেলথ কেয়ার লিমিটেড ও খাঁন প্যালেস। বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর খান প্যালেস কনভেনশন হলে আদালতের নিষেধ অমান্য করে চলে বিয়ের অনুষ্টানের কার্যক্রম। অথচ গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সিলেটের যুগ্ম জেলা জজ দিত্বীয় আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ এক আদেশে ১৪ তলা বিশিষ্ট কুইন্স হেলথ কেয়ার লিমিটেড ও খাঁন প্যালেসসহ খালি জায়গায় নতুন কাজের নির্মাণ ও কোন ধরণের কার্যক্রম না চালাতে স্থিতাবস্থার আদেশ প্রদান করেন। কিন্তু ওই আদেশকে বৃদ্ধ্ঙ্গাুলি দেখিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন, মামলার বাদী আব্দুল মালিক হুমায়ুন ও আজহারুজ্জামান সোহেল।
তারা জানান, সিলেট সদরের মিনিসিপ্যালিটি মৌজার ৯১ জে,এল ও আরএস জে,এল-৭৬ নালিশা ভূমির উপর গত ১৩ সেপ্টেম্বর মো. আব্দুল মালিক হুমায়ুন ও আজহারুজ্জামান সোহেল বাদি হয়ে স্বত্ব বাটোয়ারা মামলা নং ১৬৭/২০ ইং দাখিল করে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। ওই মামলায় এনামুল হক খাঁন, শামীমআরা আহমদ, সামছুননাহার বেগম, সাহেরা বেগম, নুরজাহান বেগম, সুলতানা বেগম, রায়হানা বেগম, আয়েশা খানম, কুইন্স হেলথ কেয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থানা পরিচালক ফাহিম আহমদ চৌধুরী ও গোলাম রব্বানী চৌধুরীকে বিবাদী করেন। সিলেটের যুগ্ম জেলা জজ দিত্বীয় আদালতের মামলাটি গ্রহণ করে বিবাদীদেরকে ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নোটিশ প্রদান করেন।
কিন্তু এনামুল হক খান, সামছুননাহার বেগম, নুরজাহান বেগম, সুলতানা বেগম, রায়হানা বেগম, আয়েশা খানম, কুইন্স হেলথ কেয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থানা পরিচালক ফাহিম আহমদ চৌধুরী ও গোলাম রব্বানী চৌধুরীর উপর নোটিশ জারির পরও তারা আদালতে কোন জবাব প্রদান করেননি। ফলে আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনের শুনাণীর প্রেক্ষিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পূণাঙ্গ শুনাণী না হওয়া পর্যন্ত সুবিদবাজারে ১৪ তলা বিশিষ্ট কুইন্স হেলথ কেয়ার লিমিটেডসহ খালি জায়গায় নতুন কাজের নিমার্ণের উপর স্থিতাবস্থার নির্দেশ প্রদান করেন।
খান প্যালেস কর্তৃপক্ষ জানান, তারা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য কনভেনশন হল ভাড়া দিয়েছেন। এর বাইরে কিছু করেননি।
আইনজীবী মো. আব্দুর রহমান আফজাল ও আইনজীবী মোহাম্মদ আলী(২) জানান, মিনিসিপ্যালিটি মৌজার ৯১ জেএল ও আরএস জে,এল-৭৬ নালিশা ভূমিতে গত ১৩ সেপ্টেম্বর মো. আব্দুল মালিক হুমায়ুন ও আজহারুজ্জামান সোহেল বাদি হয়ে স্বত্ব বাটোয়ারা মামলা নং ১৬৭/২০ ইং দাখিল করে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনের পূর্ণাঙ্গ শুনাণী না হওয়া পর্যন্ত স্থিতাবস্থার আদেশ প্রদান করেছেন আদালত ।