শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০ ২৬
ড্রীম সিলেট ডেস্ক
১৪ এপ্রিল ২০ ২০
৯:৫২ অপরাহ্ণ

খুঁজে খুঁজে ভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষেরও পাশে দাঁড়াচ্ছেন মিজান চৌধুরী

বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের সঙ্গে মানবকুলের এক জীবন-মরণ যুদ্ধ চলছে। কঠিন এই যুদ্ধকালে মানুষ ঘরবন্দি। এই অবস্থায় খাদ্যসংকটে আছেন সমাজের গরিব, দরিদ্র ও রোজগারের পথ বন্ধ হওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ। ঠিক তখন বিবেকের তাড়নায় ঘরে না বসে নিজের জীবনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী।
করোনার এই ভয়াল পরিস্থিতিতে শুধু মুসলিম সম্প্রদায় নয়, তিনি রাখছেন ভিন্ন ধর্মালম্বী এবং সম্প্রদায়ের মানুষের খবরও। তাদের মধ্যেও যারা কষ্টে আছেন, মিজান  দাঁড়াচ্ছেন তাদের পাশে। বাড়িয়ে দিচ্ছেন সহায়তার হাত।  
এই দুর্দিনে গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে জনদরদি মিজান চৌধুরী খুঁজে খুঁজে নিজে ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার গরিব, দিনজমুজর, গণপরিবহন শ্রমিক, বেদে ও মৎসজীবি সম্প্রদায়ের কষ্টে থাকা মানুষ, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, কর্মকার, সেলুনকর্মী, চর্মকার এবং অমুসলিম সকল সম্প্রদায়সহ ধর্ম ও জাতের ঊর্ধ্বে উঠে বিপাকে পড়া সকল ধর্মালম্বী মানুষের মাঝে খাদ্যসসহায়তা প্রদান করছেন। এই কার্যক্রম আরও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।  
জানা গেছে, মিজান চৌধুরী নিজের একক উদ্যোগে ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ১০ হাজার কর্মহীন হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এক সপ্তাহ ধরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তিনি নিজেই হতদরিদ্র অসহায় মানুষের বাড়ি ঘুরে ঘুরে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। 
যেসব জায়গায় নিজে যাওয়ার সুযোগ হয় না সেসব স্থানে উপজেলা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীর মাধ্যমে গরিবদের ঘরে ঘরে উপহারসামগ্রী পৌছিয়ে দিয়েছেন মিজান চৌধুরী।
উপহার সামগ্রী বিতরণকালে মিজান চৌধুরী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষ খাদ্য সঙ্কটে ভোগছে। বিশেষ করে সুনামগঞ্জের ছাতক-দোয়ারায় কিছু মানুষ আজ খুব কষ্টে আছেন। তাদের কষ্ট দেখে আর ঘরে বসে থাকতে না পেরে বিবেকের তাড়নায় নিজের জীবনের নিরাপত্তার কথা না ভেবে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। তাদরে ঘরে ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌছে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সকল বিত্তবানরা এভাবে গরিব-অসহায়দের পাশে দাঁড়ালে তাদের কষ্ট দূর হয়ে যাবে। 
মিজান চৌধুরী সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, যার ঘরে খাদ্য নাই, তার খাবার নিশ্চিত করুন। দেশের একটি মানুষও যাতে না খেয়ে মারা না যায় সে দিকে নজর দিন।  আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি- মানুষ এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা পাচ্ছে না। প্রতিটি মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করুন। মানুষের এই কঠিন সময়ে দেশপ্রধান হিসেবে সবার দায়িত্ব আপনার কাঁধে। কেউ বিনা চিকিৎসায় অথবা না খেয়ে মরলে কেয়ামতের দিন আপনাকেই জবাব দিতে হবে।
 

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ