শুক্রবার, জুন ৫, ২০ ২৬
স্টাফ রিপোর্ট::
১৩ ফেব্রুয়ারী ২০ ২১
৭:৪৫ অপরাহ্ণ

প্রেম প্রতারণার ছবি নিয়েই হিসেব কষছেন তাহমীনা

কেমন আছেন প্রবাসীর স্ত্রী তাহমীনা। পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে গিয়ে কোথাও স্থান হয়নি তার। অবশেষে আশ্রয় নিতে হলো হেফাজত নামের লাল ঘরে।

ফলে গর্ভজাত দু’ শিশু সন্তানও এখন মায়ের আদর থেকে বঞ্চিত। সিলেট মেট্রোপলিটন জালালাবাদ থানার কেমিদপুর ভুলতা গ্রামের সৌদী প্রবাসী কবির মিয়ার স্ত্রী ছিলেন তাহমীনা। প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন প্রবাসী কবির মিয়াকে।

প্রবাসী কবির মিয়ার ঔরসজাত দুসন্তানের জননীও হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু স্বামীর প্রেমে ও ঘরে থাকতে ভালো লাগেনি তার। আবার নতুন করে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন স্থানীয় ভগতিপুরের অপর প্রবাস ফেরত নূর মিয়ার সাথে।

নারী ছেড়া দু’সন্তান ফেলে রেখে ৯ জানুয়ারি রাতের আঁধারে পরকীয়া প্রেমিক নূর মিয়ার হাত ধরে পালিয়ে যান তিনি। নিয়ে যান স্বামী ঘরের ৫লাখ টাকা, ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও ৩টি মোবাইল ফোন। কিন্তু দুদিনও টিকে থাকতে পারেন নি পরকীয়া প্রেমি নূর মিয়ার বাসরে।

টাকা সোনা মোবাইল সবকিছু কেড়ে নিয়ে তাকে তাড়িয়ে দেয় নূর মিয়া। রাস্তায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হন তাহমিনা। পরে আশ্রয় নেন মোগলগাঁও ইউপি মেম্বার বাবুল মিয়া ও ফজলু মিয়ার। দীর্ঘ ২১ দিন দুই মেম্বারের সান্নিধ্যে দিন যাপন করে অবশেষে গত ১ ফেব্রুয়ারি রাতে ফিরে যান স্বামী কবির মিয়ার বাড়ি।

কিন্তু এর আগেই স্বামী কবির মিয়া তাকে তালাক দিয়ে দেয়। অন্যদিকে পিতৃপরিবারের কেউই তাকে আশ্রয় দিতে রাজি হয়নি। ফলে পুলিশের মাধ্যমে আশ্রয় নিতে হলো নগরের বাগবাড়িস্থ নারী ও শিশু হেফাজত কেন্দ্র নামের বন্দীশালায়।

এখন বন্দীশালা থেকে বের হয়ে শ্বাশুড়িকে হুমকি দিচ্ছেন দুই সন্তানকে হত্যা করে মামলা দায়েরের। এ নিয়ে শ্বাশুড়ি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। তার অনেক অন্তরঙ্গ মূহুর্তের কয়েকটি ছবি নিয়েই তাহমীনা এখন হিসেব কষছেন অতীত প্রেম ও প্রতারণার।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ