২:২৭ অপরাহ্ণ
জালালাবাদ থানার এসআই রাজিত রায়ের বিরুদ্ধে হয়রানীর অভিযোগ
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)’র জালালাবাদ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রাজিত রায়ের বিরুদ্ধে হয়রানীর অভিযোগ করেছেন নগরীর সুবিদবাজার এলাকার ছয়েদখান রোডের অগ্রনী ১৭৪ নং বাসার মৃত আফতাব মিয়া তালুকদারের পুত্র ইলিয়াস মিয়া তালুকদার।
তিনি ১৪ জুলাই মঙ্গলবার সিলেটের ডিআইজি ও এসএমপি পুলিশ কমিশনার বরাবর পৃথক অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে ইলিয়াস মিয়া তালুকদার বলেন, সুবিদবাজার এলাকার ছয়েদখান রোডের অগ্রনী ১৭৪ নং বাসার মালিক গত ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে ১১৩৯/১৪ মূলে আমাকে উক্ত বাসা-বাড়ী দেখাশুনা শাষন সংরক্ষণ ও বাসা ভাড়া উত্তোলনের দায়িত্বে প্রদান করেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমি সকল ধরনের দেখাশুনা সহ ভাড়া উত্তোলন করে মালিক পক্ষকে প্রেরণ করে আসছি। মালিক পক্ষগণের ছেলে-মেয়েদের সহিত মনোমালিন্য সৃষ্টি হলে গত ১১ জুলাই ২০২০ ইংরেজি তারিখে ৬নং আমমোক্তার দাতা বাদী হইয়া আমি দরখাস্তকারীসহ আমমোক্তার দাতা ৩নং সাদত খান কে লন্ডন থাকাবস্থায় আসামী করিয়া জালালাবাদ থানার মামলা নং-১০(১১.০৭.২০২০) ৩৮০-৩৮১-১০৯ দন্ডবিধি দায়ের করিয়েছেন। উক্ত মামলা তদন্তের দায়িত্বে প্রদান করা হয় জালালাবাদ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক এসআই রাজিত রায়কে। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর বাসার ভাড়াটিয়াগণের নামে বিগত ১২ জুলাই দৌ:কা আইনের ১৬০ ধারা মতে নোটিশ প্রদান করেন। ভাড়াটিয়াগণ নোটিশ প্রাপ্ত হইয়া বিগত ১৩ জুলাই জালালাবাদ থানায় গিয়ে উক্ত বাসায় কোন ধরনের চুরির ঘটনা ঘটে নি মর্মে স্বাক্ষ্যর প্রদান করেন। পরবর্তীতে গত ১৩ জুলাই ভাড়াটিয়াগণ বাসায় ফেরার পর আনুমানিক বিকাল ৪টায় মামলার বাদীগণকে সঙ্গে নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজিত রায় বাসার ভাড়াটিয়াদের জোরপূর্বক বাসা ছেড়ে যাওয়ার হুমকি প্রদান করেন। তারা বাসা ছেড় না গেলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর হুমকি প্রদান করেন এসআই রাজিত রায়। ইলিয়াস মিয়া তালুকদার জানান, প্রায় প্রত্যেক দিন এসআই রাজিত রায় কোন না কোন ভাবে আমাকে ও আমার ভাড়াটিয়াদের হয়রানী করে আসছেন। এমনকি ১৪ জুলাই মঙ্গলবার বিকালে আবারও বাসায় গিয়ে তালা ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। যার ভিডিও ফুটেজ আমার কাছে আছে। এধরনের পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান তিনি। -বিজ্ঞপ্তি