শনিবার, জুন ৬, ২০ ২৬
ড্রীম সিলেট ডেস্ক
১৭ মে ২০ ২০
১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

বিশ্বনাথে লজিং বাড়িতে মাদ্রাসা ছাত্র খুনঃ পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায়  লজিংয়ে বাড়িতে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছিলেন এক মাদরাসাছাত্র হাফিজ নুরুল আমীন ওরফে লাইস মিয়া (২৫)।

 সে বিশ্বনাথ কামিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষর্থী ও পার্শ্ববর্তী জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরামসী গ্রামের মৃত সজ্জাদ আলীর ছেলে।

গতমাসের বুধবার (৮ এপ্রিল) মধ্যরাতে সদর ইউনিয়নের পুরান সিরাজপুর গ্রামের সেলিম মিয়ার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। তার বুক, পেট ও পায়ে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাত করে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়। 

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে গৃহকর্তা সেলিম মিয়া,হেলাল মিয়া, ও কিশোর ছেলে আশফাক আহমদ রাতুলকে আটক করেছিল বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।পরে রাতুলকে আটক রেখে সেলিম মিয়া,ও হেলাল মিয়াকে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

জানা যায়, দীর্ঘ চার বছর ধরে গ্রামের সেলিম মিয়ার বাড়ীতে লজিং থাকতো নুরুল আমীন। সম্প্রতি লজিং পরিবর্তনের জন্যে তার সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহায়তা চেয়েছিলো সে। শবে বরাত শেষে ওখান থেকে অন্যত্র চলে যাবার কথা ছিলো তার।ঘটনার দিন মধ্যরাতে হঠাৎ চিৎকার শুনে বাড়ীর লোকজন বাহিরে এসে দেখেন ঘরে পড়ে আছে নরুল আমীনের রক্তাক্ত দেহ।


নুরুল আমীনের ভাই মঞ্জুরুল আমীন এলাইস মিয়া প্রতিবেদককে জানান, হত্যাকান্ডের ধরণ দেখে বুঝা যাচ্ছিল, এটি ‘পরিকল্পিত খুন’। এবং এই খুন কিশোর ছেলে রাতুলের একার পক্ষে সম্ভব নয়,তার সাথে অন্তত আরও দুই তিন জন খুনের ঘটনার সাথে জড়িত থাকতে পারে,রাতুল কিশোর হিসেবে আদালত জামিন দিতে পারে,এজন্য হয়তোবা অদৃশ্য কারো পরামর্শে রাতুল এককভাবে শিকার উক্তি দিয়েছে ।বিশ্বনাথ থানা পুলিশ নিজ থেকে মামলার এজহার লিখে আমাকে মানসিক চাপ দিয়ে দস্তগত নিয়েছে। 

আমার ভাইয়ের খুনের ঘটনায় অন্যান্য খুনিদের গ্রেফতার ও মামলার সঠিক তদন্তের জন্য সিলেট পুলিশ সুপার(এসপি) ফরিদ উদ্দিন মহোদয়ের বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

এদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে এ এস পি (সার্কেল) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সুপার অফিস সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ