৩:২২ অপরাহ্ণ
খাদিমনগর ইউপি কার্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি, মামলা দায়ের
সিলেট সদর উপজেলার ৩ নং খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ডিজিটাল সেন্টারে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে খোয়া গেছে কম্পিউটারসহ প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার মালামাল। এ ঘটনায় ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা বাদি হয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানায় বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, রবিবার (৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ডিজিটাল সেন্টারের দরজার তালা এবং চেয়ারম্যানের কক্ষের জানালার গ্লাস ভেঙে এক বা একাধিক চোর ডিজিটাল সেন্টারের ২টি ডেস্কটপ কম্পিউটার, ২টি ল্যাপটপ কম্টিউটার, প্রিন্টার, আইপিএস মেশিন, সিসি ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরার কন্ট্রোল মেশিনসহ ২ লাখ ২৮ হাজার টাকা মূল্যের মালামাল চুরি করেছে। এছাড়াও চেয়ারম্যানের কক্ষ থেকে চোরেরা নিয়ে গেছে গুরুত্বপূর্ণ নথি।
এ ব্যাপারে পরদিন (৫ অক্টোবর) ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা নাজিউর রহমান খান নাদিম বাদি হয়ে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানায় মামলার দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এয়ারপোর্ট থানার এসআই মো. লোকমান হোসেন বলেন, মামলা দায়ের করা হয়েছে, তবে ফাইল আমার কাছে আসেনি। আসলেই ঘটনা তদন্তে নামবো।
এদিকে, চেয়ারম্যানের কক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও কাগজপত্র খোয়া যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইউনিয়নবাসী এবং সচেতন মহল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে অনেকে করেছেন নেতিবাচক মন্তব্য।
নিজ কক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও কাগজপত্র খোয়া যাওয়া প্রসঙ্গে খাদিমনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, মূলত চোরেরা তাদের চেহারা আড়াল করতে প্রথমেই আমার কক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরার কন্ট্রোল বোর্ড চুরি করেছে। তবে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথি খোয়া যায়নি।
এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে রাতে প্রহরার ব্যবস্থা ছিলো না। গ্রামপুলিশ শুধু দিনের বেলা ডিউটি করতো। তবে এ চুরির ঘটনার পর থেকে রাতেও আমরা কার্যালয়ে প্রহরার ব্যবস্থা করেছি।