বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০ ২৬
বিজ্ঞপ্তি
২৪ জুলাই ২০ ২২
১:৫২ পূর্বাহ্ণ

গোয়াইপাড়ায় ভূমি দখলকারীদের হামলায় আহত ১, থানায় মামলা

এয়াপোর্ট থানাধীন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়াইপাড়ায় ভূমি দখলকারীদের হামলায় আব্দুল্লাহ শফি সাঈদ নামের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। গত ১৪ জুলাই বেলা ২টায় গোয়াইপাড়ায় মল্লিকা ৫২নং বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

এব্যাপারে বুধবার (২০ জুলাই) এয়াপোর্ট থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন এয়ারপোর্ট থানাধীন গোয়াইপাড়ার মল্লিকা ৫২ নং এর বাসিন্দা হাজী শফিকুল ইসলামের স্ত্রী বেগম কোহিনুর ইসলাম (৫২), মামলা নং ২২। মামলার আসামীরা হলেন, সিলেটের এয়ারপোর্ট থানাধীন সিসিকের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়াইপাড়া মল্লিকা ৫২নং এর বাসিন্দা হাজী জাফি মিয়ার ছেলে জিএম নজরুল ইসলাম (৪১), জিএম নজরুল ইসলামের স্ত্রী হুছনা বেগম (৪০), মল্লিকা ৭২নং বাসার মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে আব্দুল মুছাব্বির (৩৭) ও আব্দুল মুক্তাদির উরফে মুক্তা (৪১)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বেগম কোহিনুর ইসলাম দীর্ঘ বছর থেকে স্বামীর এজমালির ভূমি ভোগ দখল করে আসছেন। কিন্তু জিএম নজরুল গংরা তাদের ভূমি জবরদখলে পায়তারা করে আসছে। উক্ত জমি ভোগ দখল করতে হলে বেগম কোহিনুরের ছেলে আব্দুল্লাহ শফি সাঈদের কাছে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসামীরা।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ জুলাই আব্দুল্লাহ শফি সাঈদ তার ব্যবহৃত গাড়িটি উক্ত ভূমিতে রাখতে গেলে আসামীরা বাধা প্রদান করে। এসময় আসামীরা দাবিকৃত ৩ লক্ষ টাকার কথা বললে সাঈদ এতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।

এসময় আসামীরা ক্ষীপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে আব্দুল্লাহ শফি সাঈদের উপর হামলা চালায় এবং লোহার রড, কাঠের রুল দিয়ে সাঈদের চট্ট মেট্রো-গ-১১-৩৮৬১ নম্বর গাড়িটি ভাংচুর করে। আসামীদের হামলায় সাঈদ জখম হয়ে মাঠিতে পড়ে গেলে লোহার রড ও কাঠের রুল দিয়ে তাকে বেধড়ক পেঠাতে থাকে। তার আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা সাঈদের গাড়িতে থাকা নগদ দেড় লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

পরে আহত সাঈদকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তার অবস্থা আরো অবনতি হলে ১৫ জুলাই তাকে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এ বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে সাঈদ ও তার পরিবারকে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হবে বলে হুশিয়ারী দেয় আসামীরা।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ