৫:১৫ অপরাহ্ণ
পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্ঠা, পিতাকে না পেয়ে ছেলের উপর সন্ত্রাসী হামলা
স্টাফ রিপোর্টার:: সিলেট জেলার বিয়ানীবাজারের মোল্লাপুর গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তির জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে স্থানীয় একদল আওয়ামীলী সন্ত্রাসী বাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে স্থানীয় আব্দুল জব্বারের ছেলে কথিত আওয়ামীলীগ নেতা ফখর উদ্দিনের নেতৃত্বে ৩/৪ জনের একদল সন্ত্রাসী বাহিনী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গত ১৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক ৩টার সময় বিয়ানীবাজার বাজারে আবু বক্কর সিদ্দিকের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
এতে আবু বক্কর গুরুতর আহত হন। আবু বক্কর সিদ্দিক মোল্লাপুর গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে। ঘটনাসূত্রে জানা গেছে, পারিবারিকভাবে সম্পত্তি নিয়ে আওয়ামীলীগ নেতা ফখর উদ্দিনের সাথে দীর্ঘ দিন থেকে বিরোধ চলে আসছিলো আব্দুল জব্বারের দ্বিতীয় ছেলে সিরাজ উদ্দিনের । ঘটনার দিন আবু বক্কর সিদ্দিক বাজারে ছিলেন।
এসময় কথিত আওয়ামীলীগ নেতা ফখর উদ্দিন একদল সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আবু বক্কর সিদ্দিকের উপর অকর্তিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় আবু বক্কর সিদ্দিক গুরুতর আহত হন।
এসময় তার আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসী পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রাণে মারার হুমকি প্রদান করে । আহত অবস্থায় আবু বক্কর সিদ্দিককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। পরে কিছুটা সুস্থ সন্ত্রাসীদের ভয়ে তিনি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান ।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুল জব্বার এর দ্বিতীয় ছেলে সিরাজ উদ্দিন পৈতৃক ওয়ারিশ সূত্রে এ সম্পত্তির মালিক হয়ে বংশপরম্পরায় বসবাস করে যাচ্ছিলেন।
এই নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবত বাড়ি ছাড়া আব্দুল জব্বারের দ্বিতীয় ছেলে সিরাজ উদ্দিন। গত কয়েক মাস ধরে তিনি দেশের বাহিরে অবস্থান করছেন। মূলত তাকে না পেয়ে ছেলের উপর এ সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় পরিবারের লোকজন চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন যাপন করছেন। স্থানীয় আরো জানান, এদিকে আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আবু বক্কর সিদ্দিক।
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা এবং দোষীদের আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় এই বেপারে কথা বলতে অনিহা প্রকাশ করেন।