৯:০ ৬ অপরাহ্ণ
সিসিক কর্মচারীর দাপটে আতঙ্কিত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার
আদালতের স্থিতাবস্থা লংঘন ও ভাড়াটিয়া হয়ে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ভূমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ করা হয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন সিসিক’র যানবাহন শাখার কর্মচারী মো, ছামির আলীর বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগে সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
পাশাপাশি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে সিসিক মেয়রের কাছে। অভিযোগ করেছেন সিলেট নগরীর আম্বরখানা বড়বাজার ৩৫ এর বাসিন্দা প্রয়াত বীর মুক্তিযোযাদ্ধা শাহাদত হোসেন মজুমদারের ছেলে শাকিল মজুমদার। লিখিত অভিযোগে শাকিল মজুমদার উল্লেখ করেন, তার পরিবারের সাথে বাড়ির ভূমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে প্রতিবেশী শাহ মো. সালেক হোসেনদের সাথে। এ নিয়ে সিলেটের যুগ্ম জেলা জজ ৩য় আদালতে স্বত্ব মোকদ্দমা ১০৭/২০১৮ চলমান রয়েছে।
এ মোকদ্দমায় ২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আদালত ভূমির উপর স্থিতাবস্থা জারি করেন। ফলে উভয় পক্ষ দখলদারি থেকে বিরত ছিলেন। এ অবস্থায় গত ৩ সেপ্টেম্বর সালেক হোসেনের ভাড়াটিয়া সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) যানবাহন শাখার কর্মচারী (ড্রাইভার) মো. ছামির আলী দলবল নিয়ে ওই ভূমির উপর বাউন্ডারী নির্মান কাজ শুরু করেন। এসময় বাঁধা দেন প্রতিপক্ষ শাকিল মজুমদার ও তার পরিবারের স্বজনরা। তারা আদালতের স্থিতাবস্থা মেনে নিতে ছামির আলীকে বলেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছামির আলী ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা শাকিলদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ তাদের মারধর করতে উদ্যত হন। এমনকি তাদেরকে সিটি কর্পোরেশন দিয়ে হয়রানী ও মামলা-হামলার হুমকিও দেন। বাধ্য হয়ে জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে শাকিল মজুমদার গত ৩ সেপ্টেম্বর সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নং-১৪১) করেন। এরপর শাকিল গত ১১ সেপ্টেম্বর সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যার ডকেট নং-৪০৬৭।
অভিযোগপত্রে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান শাকিল মজুমদার সিসিক কর্মচারী মো. ছামির আলী কর্তৃক আদালতের স্থিতাবস্থা লংঘন এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ভূমি জবরদখল প্রচেষ্টার অভিযোগ আনেন। পাশাপাশি সিসিক কর্মচারী ছামির আলীর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান শাকিল। ছামির আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হলেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। প্রাযই ছামির আলী ও তার লোকজন তাদেরকে নানাভাবে কৌশলে হুমকি দামকি দিয়ে যাচ্ছে বলে জানান শাকিল। তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় ছামির আলী আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তার দাপটে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোকজন।