৮:২৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে পুলিশি অভিযানে ছাত্রদল নেতা আটক, ইলিয়াস পত্নীসহ উপজেলা বিএনপির নিন্দা
সিলেটের ওসমানীনগরে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি জুয়েল আহমদকে আটক করা হয়েছে। গতকাল রবিবার রাতে উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের আমিনপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ।
আটককৃত জুয়েল'র পিতা আইন উল্যা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতি করার কারনে থানা পুলিশ অভিযানের নামে আমার বসত ঘরে ঢুকে তান্ডব চালায় এবং যাওয়ার সময় আমার নিরঅপরাধ পুত্র জুয়েলকে তাদের গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যায়। থানায় নিয়ে যাওয়ার পর থেকে এখন পযর্ন্ত শত চেষ্টা করেও পরিবারের কারও সাথে জুয়েলের সাক্ষাত করতে দিচ্ছে না পুলিশ।
তবে ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আলী মাহমুদ অভিযোগগুলি অস্বীকার করে বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসাবে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার এজহার ভুক্ত আসমী জুয়েলকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে সোমবার আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। অভিযান কালে কোন তান্ডব কিংবা কাউকে হয়রানী করা হয়নি । গ্রেফতারকৃত আসামীদের সাথে চাইলেই যেকোন সময় পরিবারের সদস্যরা দেখা করতে পারেন না। জুয়েলের পরিবারে সদস্যরা দেখা করার জন্য থানায় আসার আগেই জুয়েলকে থানা থেকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছিল, তাই তাদেরকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।
এদিকে ওসমানীনগর উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি জুয়েল আহমদকে গ্রেফতারে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গনমাধ্যমে নিন্দা জানিয়েছেন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সহ-ধর্মীনি তাহশিনা রুশদির লুনা, ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসটিএম ফখর উদ্দীন, সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিছবাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রায়হান আহমদ।
প্রেরিত বার্তায় তারা বলেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় ঠিকে থাকতে তাদের লালিত পুলিশ বাহীনি দিয়ে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে দিশেহার করে তুলেছে। রাতের আধারে পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে নেতাকর্মীদের আটকের নামে যে সন্ত্রাসী তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে তা কোন সভ্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য শুভকর নয়। তারা ছাত্রদল নেতা জুয়েলসহ সকল নেতকর্মীদের মুক্তি ও সাজানো মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।