বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১, ২০ ২৬
ডেস্ক রিপোর্ট:
১৬ জানুয়ারী ২০ ২৫
২:৪২ অপরাহ্ণ

ছাত্রজনতার উপর হামলার ঘটনায় পলাতক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাত্রজনতার উপর হামলার ঘটনায় সাবেক পলাতক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে এসএমপির কোতয়ালি মডেল থানায় এবার মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানার আলমপুর মনিপুর গ্রামের কামাল হোসেন রুস্তমের পুত্র আশিকুর রহমান ইমন। গতকাল ১৫ জানুয়ারি বুধবার বিকেলে মামলাটি দায়ের করেন তিনি।

মামলার আসামিরা হলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমদ, পলিটেকনিক ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ, ছাত্রলীগ নেদা আব্দুল্লাহ নাইম, আমিনুল ইসলাম শিপল, কানাইঘাটের পশ্চিম জুলাই গ্রামের শাহাদুল্লার পুত্র সাদেক আহমদ তাহের, সিলেট নগরীরর টিলাগড় এলাকার ফখরুল ইসলামের পুত্র নাইমুর রহমান, বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বোয়ালজুড় ইউনিয়নের পীরপুর গ্রামের আতাউর রহমানের পুত্র নুরুল আমিন, দক্ষিন সুরমার গোয়ালগাও গ্রামের আব্দুল্লাহর পুত্র আলী আহমদ, মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা মনিন্দ্র রঞ্জন দে, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা তুফায়েল আহমদ, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি কিশোয়ার জাহান সৌরভ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগ নেতা ফয়েজ আহমদ প্রমুখ। মামলায় ৩৪ জনের নামোল্লেখসহ আরো ২৫/৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গত ৩ আগস্ট সিলেট নগরীর চৌহাট্রা পয়েন্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের সাথে বাদী নিজেও স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন। এসময় আসামিগণ পরস্পর যোগসাজশে উশৃঙ্খল জনতায় মিলিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে বন্দুক, দা, কিরিছ ও হকিস্টিক নিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা চালায়। তাদের পরিকল্পিত হামলায় বাদীসহ বিপুল সংখ্যক আন্দোলনকারী মারাত্মক আহত হন।

বিশেষ করে মামলার ২, ৩, ৬, ৭ ও ৮ নং আসামি ছাত্রজনতার উপর নির্বিচারে অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। মামলার ৯ নং আসামি নুরুল আমিন যুক্তরাজ্য প্রবাসী এবং বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি । সে যুক্তরাজ্য থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে নস্যাত করতে অর্থ যোগান দেয় এবং হামলায় নেতৃত্ব দেয়। মামলার অন্যান্য আসামিরাও প্রত্যেকে অস্ত্র হাতে নিয়ে হামলায় অংশ নেয়। এজাহারে বাদী জানান, হামলার পর চিকিতসা শেষে থানায় গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। পরবর্তীতে আসামিগণের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করতে বিলম্ভ হওয়ায় আদালতে মামলা দায়ের করতে কিছুটা দেরী হয়েছে।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ