বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০ ২৬
ড্রীম সিলেট ডেস্ক
১৮ জুন ২০ ২০
৬:২৫ অপরাহ্ণ

জার্মানীতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত হামিম রহমানের কৃতিত্ব পূর্ণ ফলাফল 

জার্মানীতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত হামিম রহমানের কৃতিত্ব পূর্ণ ফলাফল অর্জন করেছে। জানাজায়
জার্মানীতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত  প্রবাসী জিল্লুর রহমান ও কান্তি হকের পরিবার দীর্ঘদিন থেকে জার্মানীর ফ্রাঙ্কফ্রুট শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছেন। তাঁদের পরিবারে আলোকিত করে দুই ছেলে ও এক মেয়ে জন্ম নেয়। বড় ছেলে হামিম রহমান, মেঝ মেয়ে তাসনিম রহমান(১৪) ও ছোট্র ছেলে রিয়ান রহমান (৪)
বড় ছেলে হামিম রহমান এবার জার্মানীর ফ্রাঙ্কফ্রুটের  বিখ্যাত জার্মানির হাইনরিশ ফন গাগার্ন গিমনাজিয়াম স্কুল থেকে (১২ক্লাস) ৫বিষয়ে সর্বোচ্চ নং ১ পেয়ে (আউট অব ১) কৃতিত্ব পূর্ণ ফলাফল লাভ করে। সে এশিয়ার মধ্যে এ রখম প্রথম ফলাফল লাভকারী। তাঁর এ কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলে বাঙালী কমিউনিটির মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। হামিম রহমানের এমন ফলাফলে  জার্মানীর বিখ্যাত গোয়েথে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তী হবার  সোনালী সুযোগ তাঁর জন্য হাতছানী দিচ্ছে, যা ভিন্নদেশীদের জন্য স্বপ্নের। জুলাই থেকে সে ভর্তী হবার কথা রয়েছে। 
উল্লেখ্য গার্গান গিমনাজিায়াম স্কুলে লেখাপড়ার সুযোগ সচরাচর কোন ভিনদেশী পাওয়া স্বপ্নের ছিল।সে একবার যাহা দেখে তাহা তাঁর মুখস্থ হয়ে যায়। সে যখন ৪র্থ ক্লাসে ছিল তখন এক মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ বই পড়া শেষ করে ফেলে।তাঁর এমন অলৌকিক মেধায়  তাঁকে তাঁর স্কুল কর্তৃপক্ষ ৪র্থ ক্লাস থেকে একসাথে ৭ম ক্লাস প্রমোশন দিতে চাইলে পরিবারের পক্ষ থেকে বাবা-মা ছেলের শৈশবের কালের খেলার সাথী, বয়সের চাঞ্চলতা, কিশোরবেলার শিক্ষনীয় থেকে যাতে বাদ নাপড়ে এবং ঐ মেধাকে আরো দৃঢ় করতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে না করা হয়। 
 শেষ পর্যন্ত তাঁর মেধার প্রতিফলনে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে গোল্ডেন বয় বলে পরিচিতি লাভ করে। এ অর্জন যেন বাংলাদেশের। 
হামিম রহমানের ছোট বোন তাসনিম রহমান(১২) জার্মানির বিখ্যাত  হাইনরিশ ফন গাগার্ন গিমনাজিয়াম স্কুল থেকে ফ্রাংফুর্টার আলগেমাইনে ছাইটুং ( ফাজ )এ অংশগ্রহণ করে ২০১৮সালে। জার্মানীর ১০৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বাছাইকৃত মেধাবী  ১২০০ শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে এবং সে  প্রথম স্থান লাভ  করেছিল দুবছর আগে। 
ফ্রাঙ্কফুর্ট তথা জার্মানির বিখ্যাত পত্রিকা  ফ্রাংফুর্টার আলগেমাইনে ছাইটুং ( ফাজ ) প্রতি বছর সহাস্রাধিক  হাই স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে।
, রাজনৈতিক  খেলাধুলা, চিকিৎসা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সমাজ ব্যবস্থা  ইত্যাদি  থেকে যেকোনো এক বিষয় নিয়ে তিন মাস ব্যাপী পত্রিকা পড়ে ও পর্যবেক্ষণ করে নিজস্ব মতামত ও পত্রিকা থেকে তত্ত্ব ও উপাত্ত নিয়ে প্রতি শিক্ষার্থীরা একটা বই আকারে একটি প্রজেক্ট উপস্থাপন করে থাকে। 
তাসনিম রহমানের বিষয় ছিল রাজনিতী। 
এই বিষয় নিয়ে কাজ করা ছিল দুঃসাধ্যের । কিন্তু তাসনিম রহমান এই কাজ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করে প্রথম স্থান অধিকার করে পুরো  জার্মানিতে প্রবাসী বাঙ্গালী তথা এশিয়ার  মুখ উজ্জ্বল করেছিল। 
এই অলৌকিক মেধাবী হামিম রহমান ও তাসনিম রহমান  জার্মানীর সী-ল্যান্ড সুপার মার্কেটের এমডি, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের প্রতিষ্টাতা সভাপতি, জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের প্রক্তন চেয়ারম্যান জয়নাল হক'র দৌহিত্র ও দৌহিত্রী।
সকলের কাছে বিশেষ করে বিশ্বের বাংলা ভাষীদের কাছে তাঁর মা বাবা, নানা নানী ও খালারা দোয়া চেয়েছেন। তারা বলেন প্রতিটি বাঙ্গালীর ঘরে যেন এমন সন্তান আল্লাহ দান করেন এবং কৃতিত্ব অর্জনের চেষ্টা করেন।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ