৮:২১ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণ নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে
সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, ইউএসএ:: বাংলাদেশে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণের মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হয়েছে। স্থানীয় সময় ২১ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রঙ্কসের স্টার্লিং-বাংলাবাজার এলাকায় এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুলের দেয়ালে অঙ্কিত বাংলাদেশের শহীদ মিনার ও জাতীয় স্মুতিসৌধের বিশাল প্রতিকৃতির সামনে নানা কর্মসূচি পালিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের সম্মিলিত স্বপক্ষ শক্তি’র আয়োজনে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা বার্ষিকীর এ কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা ও দোয়া-মাহফিল। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন’র।
অনুষ্ঠানে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন আয়োজ সংগঠনের পৃষ্টপোষক মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল চৌধুরী। এসময় বঙ্গবন্ধু সহ ২১ আগস্টের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা, দেশ, প্রবাস ও বিশ্ব মানবতার শান্তির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সাইদুর রহমান লিংকনের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সদস্য সচিব রেজা আব্দুল্লাহ স্বপনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রহিম বাদশা ও যুবলীগ নেতা শেখ জামাল হোসেন। আয়োজনে আরো ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম রেজা, প্রধান সমন্বয়কারী জামাল আহমেদ ও সদস্য সচিব নূরুল ইসলাম।
এসময় অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান আবু লেইস চৌধুরী, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট মমিনুল ইসলাম, মিয়া মো. দাউদ, আবদুর রহমান, নুরে আলোম জিকু সহ আওয়ামীলীগ সহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায়ই ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা হয়েছে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা এ হামলা চালানো হয়েছিল। তারা বলেন, এ হামলার মাস্টারমাইন্ড হাওয়া ভবন, তাদের নির্দেশেই এই হামলা চালানো হয়। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব সবই জানত। খালেদা ও তারেক জিয়া চেয়েছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের হত্যা করে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করতে। তবে তাদের সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। সেদিন আল্লাহর রহমতে শেখ হাসিনা বেঁচে যান। তাই ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
আয়োজকরা সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রতি বছর এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।