৮:৩২ পূর্বাহ্ণ
উপ-সহকারী প্রকৌশলীর ও পুত্র-কন্যার বিরুদ্ধে বেতন ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ
সপ্তাহ-১৫ দিন পর সিলেট থেকে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর
ষ্টাফ রিপোটার:: ছাতকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে নিয়মিত মাসিক বেতন-ভাতা উত্তোলন করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে রেলওয়ের কর্মচারী পিতা-পুত্র-কন্যার বিরুদ্ধে। শুধু মাত্র কাগজে-কলমে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী ছাতক বাজার দপ্তরে কর্মরত রয়েছে । প্রতি সপ্তাহ ও ১৫ দিনে এক বার সিলেট থেকে ছাতকে অফিসে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন পিতা-পুত্র ও কন্যা। অফিসে কাজের ফাকি দিয়ে ঠিকাদারি ব্যবসা প্রতিষ্টান ও লেখা পড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকে তারা। গত বৃহস্পতিবার রেলওয়ের বিভাগে ছাতকস্থল অফিসে উধর্źতন উপ সহকারী প্রকৌশলী কার্যালয় ওঅফিসের ভারপ্রাপ্ত নিবার্হী প্রকৌশলীর আব্দুল নূরের অফিস প্রায় তালাবদ্ধ থাকে বলে বাংলাদেশ চট্রগ্রাম রেল বিভাগের মহা ব্যবস্থাপক (পুর্ব) বরাবরে আরিফুর রহমান বাদী হয়ে পিতা আব্দুর নুর পুত্র মাহবুর আলম ও কন্যা সুর্বনা আক্তার’র বিরুদ্ধে রয়েছে ব্যাপক অনিয়ম দুনীতি ও লুটপাটের লিখিত অভিযোগ দায়ের করায় অভিযোগকারীকে আরিফুর রহমান এ অভিযোগ প্রত্যাহার না করলে ও তাকে প্রানে মারার জন্য তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেয়ার অভিযোগ করেছেন আরিফুর রহমান। অনুসন্ধানে জানা যায়, আব্দুল নুরের পুত্র মাহবুবুল আলম ২০১৫ইং খালাসী পদে এসএসএই/কার্য্য/সিলেট অফিসে যোগদান করেন। ২০১৬ইং এসএসএই/কার্য্য/বিআর অফিসে বদলী হয়ে চলে আসে ছাতক বাজারে। ছাতকে নির্বাহী প্রকৌশলী কর্মরত না থাকলেও অবৈধ সুযোগ সুবিধা দিতে মাহবুবকে (ভারপ্রাপ্ত) মটর ড্রাইভার বানানো হয়। অফিসে স্থায়ী নিবার্হী প্রকৌশলী না থাকায় সপ্তাহে ও ১৫দিন পর প্রাইভেটকার নিয়ে সিলেট থেকে ছাতকস্থল অফিসে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে ঘন্টাখালি বসে চলে যান মাহবুবুর ও সুবর্না আক্তার ।তাদের পরিবর্তে ভাড়াটিয়া বাবুল নামে একজন দায়িত্ব পালন করছে। সুবর্না আক্তার লেখা পড়া করছেন সিলেটের একটি বেসকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সরকারী চাকুরীর নিয়ম-নীতি বৃদ্ধাআঙ্গুল দেখিয়ে তার পুত্র মাহবুব এন্টারপ্রাইজ ও সিদ্দেক ট্রেডাস নামের দু’টি ব্যবসা প্রতিষ্টান নিয়ে ব্যস্ত থাকেন প্রতিনিয়তভাবে। মাহবুর আলমের পিতা আব্দুর নুরকে কয়েক বছর আগে নানা অনিয়ম-দূনীতি ও পাথর চুরির অভিযোগে তাকে জামালগঞ্জ বদলী করা হয়। পরবর্তীতে জামালগঞ্জ থেকে সিলেট রেলওয়ে উধর্źতন প্রকৌশলী অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত ওয়ার্ক সুপারভাইজার হিসেবে যোগদান করে। ২০১৮সালে ভারপ্রাপ্ত এসএই/কার্য্য/বিআর ভোলাগঞ্জ হিসাবে দুনীতিবাজকর্মকতাকে ছাতক বাজারে যোগাদান করে রাতারাতি লাখ-লাখ টাকার মালিক বনে এখন কোটিপতি হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠে। এদিকে ২০১৯ সালে জুলাই মাসে তার দপ্তরে আপন কন্যা সুর্বনা আক্তারকে খালাসী পদে চাকুরী দেন। রেলওয়ের এ দপ্তরে ৫/৭জন কর্মচারী থাকলেও সব সময় দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে থাকতে দেখা যায়। আব্দুন নুরকে মাঝে মধ্যে ছাতকে দেখা গেলেও পুত্র-কন্যাকে ছাতকে দেখা যায় না বলে এলাকায় নানা প্রশś দেখা দিয়েছে।একই ব্যক্তি দুটি পদে কর্মরত থাকার তার দাপট বেড়েছে কয়েক গুন। বিআর, সিএসপি, ভোলাগঞ্জের দায়িতে ¡ রোপওয়ের কর্মরত রয়েছে। ছাতক বাজারের জনৈক ব্যক্তি জানান, আব্দুর নুরের পূত্র মাহবুবুর আলম এক সময় ফেরী করে চা বিক্রি করত, পরবর্তীতে ট্রাকের হেলপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।এখন নিবার্হী প্রকৌশলী কর্মকতার ডাইভার পদে চাকুরী করে অল্পদিনে পিতা-পুত্র কন্যা মিলে সরকারের লাখ টাকার লুটপাট করে আলাদ্বীনের চেরাগের প্রদীপ পেয়ে গেছে, মাত্র কয়েক বছরে বনে গেছেন কোটিপতি। তার রয়েছে কোটি টাকা মূল্যের ৩টি ইন্টাডিষ্টিক ট্রাক নং ঢাকা মেট্রো-ট ২০-০২০৩, ৩টি পিকাপ, ১টি প্রাইভেট কার ঢাকা মেট্রো- গ ১১-২৭৬০ ও ১টি মটরসাইকেল সিলেট মেট্টো- খঅ ১১-১৬৮২। এছাড়া গ্রামের বাড়ীতে কোটি টাকা ব্যয় করে বাসা ˆতরীর কাজ চলমান রয়েছে। কর্মস্থল ছাতকে হলে ও তিনি শীতাতপ নিয়নন্ত্রিত বিলাস বহুল বাসা ভাড়া করে থাকেন বিভাগীয় শহর সিলেটে। ২০১৮ইং বছর কোন এক মাসে মাহবুবুরের অফিসে অনুপস্থিতি দেখে এক কর্মকর্তা মাহবুবুরের হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত দিয়ে তার নামে ফরম ইস্যু করেন। কিন্তু প্রধান সহকারী ও মামা বিল ক্লার্ক তাকে পুরো মাসের বেতন ভাতা দিয়ে দেন। ছাতক বাজার দপ্তরে স্থায়ী নির্বাহী কর্মকর্তা কর্মরত না থাকার কর্মচারীদের ইচ্ছামত চলে অফিসের কার্যক্রম। বিভিনś ধরনের ভূয়া বিল ভাউচার, নিজ নামে ও সাইট অফিসের শ্রমিকের নামে ভুয়া টিএ বিল ˆতরী করে সরকারের টাকা আতĄসাত, কর্মচারীদের বিভিনś ধরনের ছুটি, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, অবসরকালীন চুড়ান্ত নিস্পত্তিসহ ইত্যাদি বিষয়ে টাকা ছাড়া ফাইল একচুলও নড়ে না বলে অভিযোগ রয়েছে। ইতিপূর্বে এসব অনিয়ম-দূর্নীতির বন্ধের জন্য রেলওয়ে শ্রমিক-কর্মচারীরা সম্মিলিত ভাবে যৌথ স্বাক্ষরিত বিভিনś দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।তার ক্ষমতার দাপট এতো বেশী ছাতকে রেলওয়ের সকলশ্রেনীর কর্মকতা কর্মচারিরা জিনিĄ হয়ে পড়েছে। এব্যাপারে আব্দুল নুরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন তার পুত্র কন্যা রেলওয়ে বিভাগে চাকুরী করছেন বলে নিশ্চিত করেন।