৮:২০ অপরাহ্ণ
জগন্নাথপুরে প্রেমিক জে'লে ও প্রেমিকাকে বিয়ে দিয়ে লন্ডনে, হতবাক ক্ষু'ব্দ পরিবার
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রেমের টানে বাড়ি ছেড়েছিল চাচাতো ভাই-বোন যুগল। অবশেষে অপ'হরণ মামলায় প্রেমিক জেলে ও প্রেমিকাকে গোপনে বিয়ে দিয়ে লন্ডন পাঠনো হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে। হতবাক ও ক্ষু'ব্দ পরিবারে আহাজারি চলছে। ২২ মে শুক্রবার বিকেলে জেলে থাকা প্রেমিকের চাচা নছির আলীর উদ্যোগে বাড়ি জগন্নাথপুর গ্রামের প্রেমিক সাব্বির আলীর উপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে।
এতে নছির আলী লিখিত বক্তব্যে তুলে ধরেন, লন্ডন প্রবাসী ফারুক আলীর মেয়ে খাদিজা বেগম ও কৃষক রশিদ আলীর ছেলে সাব্বির আলীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাই-বোন। সম্পর্কের সুবাদে গত ৮ এপ্রিল প্রেমিক যুগল বাড়ি ছেলে পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিজেরা নিস্পত্তির কথা বলে প্রেমিক যুগলকে বাড়ি ফেরানো হয়। এর মধ্যে পথে হাবিবনগর গ্রাম এলাকায় পুলিশ প্রেমিক যুগলকে আটক করে।
প্রেমিকার মা বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ প্রেমিক সাব্বির আলীকে সুনামগঞ্জ জেল হাজতে ও প্রেমিকার বয়স কম হওয়ায় সিলেট সেফ হোমে প্রেরণ করেন। ঘটনার ৭ দিন পর প্রেমিকার মা সুবর্ণা বেগমের জিম্মায় প্রেমিকাকে ছেড়ে দেন আদালত।
আদালতে প্রেমিকা স্বীকারও করেছে, তার চাচাতো ভাই সাব্বির আলীর সাথে ৪ বছরের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সম্পর্কের কারণে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে ছিল তারা। এর মধ্যে গত ৬ মে গোপনে জগন্নাথপুর মুন্সিপাড়া গ্রামের আবদুল আহাদের ছেলে লন্ডন প্রবাসী মামুন মিয়ার সাথে প্রেমিকা খাদিজার মোবাইল ফোনে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর খাদিজকে গত ১৪ মে গোপনে লন্ডন পাঠনো হয়েছে। এদিকে-এখনো সেই প্রেমিক সাব্বির আলী হাজতবাস করছে। যা কোন অবস্থায় মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা। প্রেমিক গরীবের সন্তান হওয়ায় তাকে জেলে দিয়ে প্রেমিকাকে অন্যত্র বিয়ে দিয়ে লন্ডনে পাঠানো হয়েছে।
তাই সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়, সুষ্ট তদন্তক্রমে মিথ্যা অপহরণ মামলা থেকে প্রেমিক সাব্বির আলীকে অব্যাহতি প্রদান ও প্রেমিকের কাছ থেকে তার প্রেমিকাকে কেড়ে নিয়ে অন্যত্র বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এ সময় গ্রামের বিভিন্নজন উপিস্থত ছিলেন।