শুক্রবার, মে ১, ২০ ২৬
ড্রীম সিলেট ডেস্ক
১৯ অক্টোবর ২০ ২০
৬:১০ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রীকে শুনাতে পরিবহন সেক্টর নিয়ে পোষ্ট করলেন আ’লীগ নেতা হাজী গুলজার !

সিলেট পরিবহন সেক্টর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ্য মাধ্যমে ঝড় তুলছেন সরকার দলীয় পরিবহন ব্যবসায়ী হাজী গুলজার আহমদ। হাটে হাঁড়ি ভাঙ্গার খবরে তোলপাড় চলছে সিলেট জুড়ে। প্রকাশ করে দিচ্ছেন অনিয়ম দূর্নীতির শেকড় । অবৈধ পন্থায় পকেট কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও। একই সাথে পরিবহন সেক্টরে বিএনপি-জামায়াত সিন্ডিকেটের  নির্যাতন নিপীড়নের তথ্য। প্রকাশ করছেন সিলেটের পরিবহন খাতে সরকার দলীয় লোকজন কিভাবে জিম্মি ও অসহায়। বিএনপি জামাতের পরিবহন ব্যবসায়ী একচ্ছত্র কেবল ব্যবসা করছে না পরিবহন নেতৃত্ব্ও কুক্ষিগত রেখেছে অবৈধ পন্থায়।  এনিয়ে কথা বললেই বহুবিধ হয়রানীর মুখে ঢেলে দেয়া হয় সরকার দলীয় পরিবহন ব্যবসায়ীদের উপর। এচাড়া নেমে আসে খড়গও। এসব বিষয়ে  প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন পরিবহন ব্যবসায়ী হাজী গুলজার আহমদ।
পরিবহন ব্যবসায়ী ও নেতা একই সাথে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আ্ওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা হাজী গুলজার আহমদ সোমবার নিজস্ব ফেইসবুক আইডিতে লিখেন, ‘‘সম্মেলন ছাড়া শুনি নাই কমিটি অনুমোদন ? বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিটি জেলায় মালিক ও শ্রমিক সংগঠনে সাধারণ সভা না করে কমিটি অনুমোদন হয় না । শুধু সিলেটে জামাত বিএনপির পরিবহন মালিকরা অবৈধ ভাবে দখল করে রেখেছে ? কোন মালিক প্রতিবাদ করলে গাড়ি বন্ধ করে দেয় ? এবার দীর্ঘ ১০টি বছর পরে সিলেট জেলা বাস মালিক সমিতি অবৈধ ভাবে পরিচালনা করে আসতেছে তা প্রমাণ হয়ে গেলো পলাশে যে বাবার পরিচয়ে পরিবহনে বেটাগিরি দেখায় ? তার বাপ বলেছেন মালিক সমিতি নিয়ে যদি বিতর্কের সৃষ্টি হয় ? মালিক সমিতি বাতিল করে দিব । এখন পলাশ পাগল হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় ? মানুষুরূপী স্বার্থপর পদলোভী ভাই হক্কল ? পেটে সবে মাত্র ব্যথা শুরু হইছে! ডাইরিয়া শুরু হওয়ার আগে ওরসেলাইন লও! আমাদের কাছে সবকিছু আছে?আমাদের সিলেট জেলা মালিক সমিতি নিয়ে আরেক চাঞ্চল্যকর তথ্য!!! কে এই পলাশ ???
এছাড়া, ১৬অক্টোবর আরেকটি পোষ্ট করেন হাজী গুলজার সেখানে লিখেন, ‘‘ মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় আমার প্রান প্রিয় সংগঠন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ ও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ? আপনাদের সু-দৃষ্টি কামনা করছি ? সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন বাস মালিক সমিতিতে সাধারণ সভা কখনো হয় না ।শত শত বাস মালিক জানে না কিভাবে কমিটি অনুমোদন হয় ? আমি চেলেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি , আজ পর্যন্ত কোনো ডকুমেন্ট দেখাইতে পারবে না,ষ সাধারণ সভার মিটিং এর নিউজ লকেল পেপারে ও অনলাইনে ? ১০ টি বছরের ডকুমেন্ট আমরা সাধারণ মালিকরা দেখতে চাই ।একটা সাধারণ সভা করতে হলে ৬০ শতাংশ সাধারণ বাস মালিকদের অনুমোদন লাগে ।কিন্তু অবৈধ জেলা বাস মালিক সমিতির ৬/৭ জন বাস মালিক দিয়ে সাধারণ সভা হয়ে যায়?একটানা অবৈধ পন্থায় দখল করে রেখেছে বাস মালিক সমিতি ।এটা ১০০%পকেট কমিটি?বিএনপি থেকে শুধু মামলা থেকে বাঁচার জন্য আওয়ামী লীগে আইছে চেয়ারম্যান কালাম ?মালিক সমিতির যদি সভাপতি পদ থাকে তাহলে প্রশাসন কিছু করতে পারবেনা ।আর মালিক সমিতির সেক্রেটারি পলাশ হবিগঞ্জ থেকে এসে অবৈধ পন্থায় দখল করে রেখেছে ,একজন সেক্রেটারি মানে নির্বাহী প্রধান সে সভাপতির কথায় উটে বসে তার কোন ইমেজ নেই বললেই চলে?তাই এত বছর ধরে একটানা নেত্রত্ব দিয়ে আসতেছে ।মালিক সমিতির গঠন তন্ত্রের ১৩ অনুচ্ছেদে স্পটে উল্লিখিত আছে সাধারণ সভা করে নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা ,?কিন্তু সারা বাংলাদেশের মধ্যে শুধু সিলেটে পকেট কমিটি দিয়ে একটা জেলা মালিক সমিতি কিভাবে চলে?, কোন মালিক প্রতিবাদ করলে ঔ মালিকের গাড়ি বন্ধ করে দেয়া হয় ।,আমাদের আওয়ামী লীগের আবদুল মান্নানের গাড়ি খানা প্রায় ৩ টি বছর দরে বন্ধ করে রাখে এখনো পর্যন্ত চালাইতে দিতেছে না ? মালিক সমিতির অবৈধ সভাপতি কালাম তাদের খুটির জোর  কোথায় ? এটা কি বিএনপির পাওয়ারে চলে দেখার কেউ নেই ? দৃষ্টি কামনা করছি সিলেট পরিবহন সেক্টরের দিকে একটু নজর দিবেন দয়াকরে।”

এছাড়া ১৬ অক্টোবর অপর একটি পোষ্ট করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন হাজী গুলজার। সেখানে তিনি লিখেন, ‘‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবহন সেক্টরে সু দৃষ্টিতে দেখবেন সিলেটের আপনার আওয়ামী লীগের কর্মী শত শত বাস মালিক আজ নির্যাতিত। আমি ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারী নির্বাচন পর বিএনপি জামাতের অগ্নি সন্তাস, নাশকতায় কেঁপে উঠে গোটা দেশ, পরিবহন খাতে বৈরী প্রভাব বিরাজ করে, নিরাপত্তার অজুহাতে আন্তজেলা সড়কে পরিবহন চলাচল বন্ধ করে দেয় মালিক পক্ষ, কিন্ত চরম সেই অবর্ণনীয় পরিবেশে জান ও মালের ঝুঁকি নিয়ে আমার নিজস্ব ব্যানার সুরমা পরিবহনের গাড়ি সিলেট-ঢাকা সড়কে চালিয়ে সাহস দেখিয়েছিলাম অন্যান্য মালিকদের কে নিয়ে। আমার  সাহসী এই পদক্ষেপ সরকার বিরোধী পরিবহন নেতাদের চক্ষুশুল হয়, তারা নানাভাবে আমাকে  দমানোর চেস্টা করেও ব্যর্থ হয়। সেই পরাজয়ের  প্রতিশোধ এখনও সুযোগ পেলেই আমার  উপর বদলা নিতে মরিয়া হয়ে উঠে আ’লীগ সরকার বিরোধী পরিবহন নেতৃত্ব, বিএনপি থেকে যখন কোন সুযোগ সন্ধানী আসে  আওয়ামী লীগের সাঁইন বোড্ পরিচয়, সুযোগ সন্ধানী চরিত্র কারো অজানা নয় । বাস টার্মিনালে পরিবহনের বাস মালিকরা আওয়ামী লীগ সমর্থিত আজ অবহেলিত ও নির্যাতিত?সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতিতে সাধারণ সভা কখনো হয় না। শত শত বাস মালিক জানে না কিভাবে কমিটি অনুমোদন হয়?আমি চেলেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি আজ পর্যন্ত কোনো ডকুমেন্ট দেখাইতে পারবে না, ?সাধারণ সভার মিটিং এর নিউজ লকেল পেপারে ও অনলাইন নিউজ দেখাইতে পারবে না। এটা ১০০%পকেট কমিটি?বিএনপি থেকে বাঁচার জন্য আওয়ামী লীগে আইছে চেয়ারম্যান কালাম ।মালিক সমিতির যদি সভাপতি পদ থাকে তাহলে প্রশাসন কিছু করতে পারবেনা । তাই এত বছর ধরে একটানা নেত্রত্ব দিয়ে আসতেছে ।মালিক সমিতির গঠনতন্ত্রের ১৩ অনুচ্ছেদে  উল্লেখ আছে সাধারণ সভা করে নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা ? কিন্তু সারা বাংলাদেশের মধ্যে শুধু সিলেটে পকেট কমিটি দিয়ে একটা জেলা মালিক সমিতি কিভাবে চলে ? এটা কি বিএনপির পাওয়ারে চলে ।দেখার কেউ নেই ? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জন নেতৃ শেখ হাসিনা ও মাননীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের লিডারের দৃষ্টি কামনা করছি সিলেট পরিবহন সেক্টরের দিকে একটু নজর দিবেন দয়া করে । ’’  

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ