৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
জেলা পরিষদ নির্বাচন: মাখন ও মতি’তে সরগরম ২নং ওয়ার্ড
মধ্যখানে আর মাত্র একদিন। আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। নির্বাচন ঘিরে চলছে শেষ মূহুর্তের প্রচারণা ও হিসেব-নিকেশ। জেলা পরিষদের ২ নং ওয়ার্ডে (দক্ষিণ সুরমা ) চলছে নানা সমীকরণ।
এই ওয়ার্ডের সদস্য পদপ্রার্থী হয়েছেন ২ জন। তারা হলেন-সৈয়দ মকবুল হোসেন মাখন, বর্তমান সদস্য মতিউর রহমান মতি। সৈয়দ মকবুল হোসেন মাখন দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও রস্তুম গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিশিষ্ট শালিসী ব্যক্তিত্ব ও প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি টিউবওয়েল প্রতীকে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। মতিউর রহমান মতি জেলা পরিষদের বর্তমান সদস্য ও দক্ষিণ সুরমার লাউয়াই গ্রামের বাসিন্দা। সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের উপ প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। আওয়ামীলীগ নেতা হিসেবে মতিউর রহমান মতি এলাকায় প্রভাবশালী ব্যক্তি।
তিনি সামাজিক কর্মকান্ডে ও উন্নয়নে সর্বদায় নিজেকে জরিয়ে রেখেছেন। জানা গেছে, মতিউর রহমান মতি জেলা পরিষদের সদস্য থাকাকালিন সময়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। তিনি বিভিন্ন মসজিদ ও স্কুলে ব্যাপক উন্নয়নে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পাওয়া বরাদ্ধ দিয়ে কাজ করিয়েছেন। শেষ মুহুর্তে প্রচারণায় মতিউর রহমান মতি’র অবস্থা র্শীষ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এখন দেখার বিষয়ে নবীন মতি না প্রবীন মাখন কে বেছে নেন এলাকার জনপ্রতিনিধিরা। মূলত এই ২ প্রার্থীকে ঘিরে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে কোনো কারো পক্ষেই কাজ করছেন না। যার যার ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাধান্য দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা দ্বারে ঘুরছেন।
সিলেট জেলা পরিষদের সদ্য সাবেক সদস্য মতিউর রহমান মতি জানান, বিগত দিনে জেলা পরিষদের বরাদ্ধ দিয়ে এলাকায় মসজিদ, মাদরাসা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি।
এলাকার জনপ্রতিনিধিরা তার মুল্যায়ন করবেন বলে তিনি আশাবাদী। সিলেট জেলা পরিষদের ২নং ওয়ার্ড দক্ষিণ সুরমার ১০টি ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।