৬:০ ৭ অপরাহ্ণ
ছাতকে এনাম হ.'ত্যা মা'ম'লার রায় বহাল ও পলা'তক আ'সা'মি গ্রে'প্তা'রের দাবি
সুনামগঞ্জের ছাতকে হাজী মোস্তফা আনোয়ার এনাম হ'ত্যা মা'ম'লায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দেওয়া রায় উচ্চ আদালতেও বহাল রাখা এবং দ'ণ্ডপ্রাপ্ত আ'সা'মিদের জামিন না দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নি'হ'তের পরিবারের সদস্যরা। একই সঙ্গে রায়ের সময় পলাতক হওয়া দ'ণ্ড'প্রাপ্ত আসামি আছমা আক্তার লাভলীকে দ্রুত গ্রেপ্তা'রের আহ্বান জানান তারা।
সোমবার (৩ আগস্ট) সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন নি'হ'তের ভাই ছাতকের পূর্ব নোয়ারাই গ্রামের মো. মোস্তফা দিলোয়ার পারভেজ। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২১ সালের ১৩ মে জমি-সংক্রান্ত বি'রো'ধের জেরে ছাতক উপজেলার পূর্ব নোয়ারাই গ্রামে তার ভাই হাজী মোস্তফা আনোয়ার এনামের ওপর হা'মলা চালানো হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে তার মৃ'ত্যু হলে ছাতক থানায় দায়ের হওয়া হ'ত্যা চেষ্টা মাম'লাটি হ'ত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ২০২২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভি'যো'গপত্র দাখিল করে। তিনি বলেন, দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে গত ৩০ জুলাই সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহা. হাবিবুল্লাহ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে দবির হোসেন, সিহাব মিয়া ও আছমা আক্তার লাভলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে মোস্তফা দিলোয়ার পারভেজ বলেন, তাদের প্রত্যাশা ছিল আসামিদের মৃত্যুদণ্ড হবে। তবে আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা চান, উচ্চ আদালতেও এ রায় বহাল থাকুক এবং দণ্ডপ্রাপ্তরা যেন জামিনে মুক্তি পেতে না পারেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, রায় ঘোষণার দিন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আছমা আক্তার লাভলী পলাতক ছিলেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, দণ্ডপ্রাপ্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তারা জামিনে মুক্তি পেলে পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। অতীতেও তারা বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বড় ভাই মো. মোস্তফা কামাল, কানাডাপ্রবাসী হত্যা মামলার বাদী মো. মোস্তফা জুবায়ের, ফ্রান্সপ্রবাসী বোন মোছা. জেসমিন আক্তার, তার স্বামী কামরুজ্জামান এবং নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম রানা ও দুই কন্যাও উচ্চ আদালতে জেলা আদালতের রায় বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে দণ্ডপ্রাপ্তদের সাজা কার্যকর নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করা হয়।