রবিবার, মার্চ ২৯, ২০ ২৬
রাজেশ ভৌমিক, মৌলভীবাজার::
২৮ মার্চ ২০ ২৬
৭:৩৮ অপরাহ্ণ

গান,আবৃত্তি ও নৃত্যে শ্রীমঙ্গলে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

কবিতা,গান,নাটক,আবৃত্তি ও নৃত্যের ছন্দে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে দুই দিনব্যাপী ‘স্বাধীনতা উৎসব ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।  শুক্রবার বিকেলে পৌর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন পরিষদের আয়োজনে এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের সাবেক অধ্যাপক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মুজিবুর রহমান, শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ প্রফেসর রফি আহমদ চৌধুরী, সঙ্গীতজ্ঞ বুলবুল আনাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কাওসার ইকবাল, ডা. বিনেন্দু ভৌমিক, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক সুদর্শন শীল, প্রভাষক মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক জলি পালসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনসহ প্রমুখ। উদ্বোধনী বক্তব্যে এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, একসময় শ্রীমঙ্গল দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। নাটক, গান ও নৃত্যসহ বিভিন্ন আয়োজনে এ অঞ্চল ছিল প্রাণবন্ত।

তবে দীর্ঘদিন ধরে সেই ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ায় অনেক সংগঠন স্থবির হয়ে পড়ে এবং মানুষ সাংস্কৃতিক চর্চা থেকে দূরে সরে যায়। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় সম্মিলিত উদ্যোগে আবারও সাংস্কৃতিক চর্চা জোরদার করা সম্ভব। সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা একটি সমাজকে মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন করে তোলে উল্লেখ করে তিনি নতুন প্রজন্মকে সৃজনশীল ধারায় এগিয়ে নিতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। দুই দিনব্যাপী এ উৎসবে প্রথম দিন শুক্রবার ১৮টি সংগঠনের মধ্যে ৯টি সংগঠন নাটক, সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে। দ্বিতীয় দিন শনিবার বাকি ৯টি সংগঠন অংশ নিয়ে পরিবেশনায় বৈচিত্র্য যোগ করে, যা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

এদিকে শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামেও ‘স্বাধীনতা উৎসব ২০২৬’ উপলক্ষে শ্রীমঙ্গল উপজেলা জাসাসের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী পৃথক সাংস্কৃতিক আয়োজনের সমাপনী দিন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে। জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে বসে মেলা পসরা দোকান, মেলা, নাগরদোলাসহ নানা আয়োজন উৎসবে বাড়তি প্রাণচাঞ্চল্য যোগ করে। তিনদিনের এই উৎসবকে ঘিরে পুরো শহরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ