বৃহস্পতিবার, মে ২৮, ২০ ২৬
কমলগঞ্জ প্রতিনিধি::
২০ জুন ২০ ২১
১:৩৬ পূর্বাহ্ণ

সন্ত্রাসী হারুন রশীদ বাহিনীর গ্রেপ্তারে দাবিতে কমলগঞ্জে মানবন্ধন

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের ছয়কুট এলাকায় ইউপি সদস্য মাহমুদ আলী ও আওয়ামীলীগ নেতা সুলেমান মিয়ার উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ছয়কুট বাজার কালিমন্দিরে বিক্ষোভ ও মানবন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে ৩নং ওয়ার্ডবাসীসহ স্থানীয় জনগণ।

শনিবার (১৯ জুন) বিকাল ৪ টায় এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আছকন্দর আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত মানবন্ধনে বক্তব্য দেন সন্ত্রাসী হামলায় আহত সোলেমান মিয়া, আজহার উদ্দিন মেম্বার, ওয়াসিম মিয়া, মাওলানা আবুল খায়ের, সুলেমান মিয়া ও রুবেল মিয়া প্রমুখ। বক্তারা বলেন, এলাকার করম উদ্দিনের পুত্র হারুন রশীদ গংরা দীর্ঘদিন যাবত এলাকায় চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতন, ভূমি দখল, মামলা মোকদ্দমা দিয়ে নিরীহ মানুষকে হয়ারানীসহ জোর জুলুম অত্যাচার করে আসছে।

তাদের নির্যাতনের ভয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। বড়চেগ গ্রামের চিহ্নিত সন্ত্রাসী একাধিক মামলার আসামী হারুন রশিদ, হাসান মিয়া, সুলতান মিয়া, মসুদ মিয়া, রামচন্দ্র পুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার পুত্র শাহান মিয়া,মৃত রহিম কাজীর পুত্র আখলিছ মিয়া,বিষ্ণুপুর গ্রামের আখলিছ মিয়াসহ সঙ্ঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে রহিমপুর ইউনিয়নে ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে।


একের পর এক ঘটনার পরও পুলিশ প্রশাসনের নিরব ভূমিকা পালনের অভিযোগ তুলেন বক্তারা। সন্ত্রাসী হামলায় আহত নেতা সোলেমান মিয়া বলেন, বড়চেগ গ্রামের খোরশেদ আহমদের পুত্র প্রতিবন্ধি খিজির আহমেদের চিকিৎসার নগদ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছিলো হারুন রশিদ। টাকার অভাবে চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছিল প্রতিবন্ধি খিজিরের। সে কারণে স্হানীয় ইউপি সদস্য মাহমুদ আলী প্রতিবন্ধি খিজির মিয়াকে আইনীভাবে সহযোগিতা করে ছিলেন।

এর জের ধরেই শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ি যাবার পথে বড়চেগ জিতু পালের বাড়ির পাশে পূর্ব থেকে উৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসী হারুন রশিদ গংরা এলোপাথাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে মাহমুদ আলিকে। আমি বাঁচাতে গেলে সন্ত্রাসীরা আমার উপরও হামলা চালায়। বর্তমানে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। মানববন্ধনে হারুন রশিদ ও তার সন্ত্রাসী গংদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ