মঙ্গলবার, জানুয়ারী ২৬, ২০ ২১
বিজ্ঞপ্তি
২ জানুয়ারী ২০ ২১
৬:৪৫ অপরাহ্ণ

জালালাবাদ টিটি কলেজের ২২তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
পহেলা জানুয়ারি ২০২১ শুক্রবার সিলেট বিভাগের প্রথম শিক্ষক প্রশক্ষণ প্রতিষ্ঠান সিলেট নগরীর উপশহরস্থ জালালাবাদ টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ২২তম ব্যাচের বি.এড. কোর্সের ওরিয়েন্টেশন কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. হাসমত উল্লাহ’র সভাপতিত্বে ও সহকারী অধ্যাপক সায়েম আহমেদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রশিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রভাষক তানজিনা জামান চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপকবৃন্দ যথাক্রমে মোঃ আব্দুশ শাকুর, সুলায়মান চৌধুরী ও মোঃ আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ। 

সভায় প্রশিক্ষকবৃন্দ ২০২১ সালের ২২তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদেরকে এ কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। “শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড এবং শিক্ষকরাই মানুষ গড়ার কারিগর”  উল্লেখ করে বক্তারা শিক্ষকদের নিজেদেরকে শিক্ষাদানে দক্ষ ও নৈতিকতার দিক থেকে অনুসরনীয় ও অনুকরণীয়রূপে গড়ে তোলার  আহ্বান জানান। প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই উল্লেখ করে প্রশিক্ষকরা বলেন যে,  বি. এড. প্রশিক্ষণার্থী  শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দকে  হাইস্কূল ও মাদ্রাসায়  মাধ্যমিক  স্তরের শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষাদান করতে হয়। তাঁরা আরও বলেন যে, বয়ঃসন্ধিকাল  মানবজীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়,  যখন শিক্ষার্থীরা এ স্তরের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিজ নিজ ভবিষৎ পেশাগত শিক্ষা গ্রহণের পূর্ণ প্রস্তুতিগ্রহণ করে থাকে । অতএব শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ বি.এড. প্রশিক্ষণ অর্জনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকদেরকে  পেশাগতভাবে পূর্ণ দক্ষ ও সুযোগ্য করে গড়ে তোলে। 

সভাপতির বক্তব্যে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ হাসমত উল্লাহ বলেন যে, ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত জালালাবাদ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দকে অত্যন্ত সাফল্যের সাথে বি. এড. প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। বিগত দশ বছরের কলেজের ফলাফল শতকরা ৯৭% এর উপরে রয়েছে উল্লেখ করে প্রফেসর ড. মোঃ হাসমত উল্লাহ ২২তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদেরকে এ ফলাফল শতভাগে উন্নীত করার জন্য সবাইকে সেশনের শুরু থেকে নিরন্তর অধ্যয়ন ও শিক্ষাদান কর্মসূচীতে নিয়মিত অংশগ্রহণের উদাত্ত আহবান জানান।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর পবিত্র হাদিসের মর্মার্থ “আমি (মহানবী) নিশ্চয়ই শিক্ষকরূপে প্রেরিত হয়েছি” উদ্বৃত করে প্রফেসর ড. হাসমত উল্লাহ বলেন যে, শিক্ষকতার মহান পেশা নবী রসুলগণের পবিত্র কাজ ও দায়িত্ব। অতএব এ মহান পেশায় নিয়োজিতরা মর্যাদার ক্ষেত্রে ইহকালে সম্মান ও মর্যাদা এবং পরকালে পবিত্র জান্নাত লাভের অধিকারী হবেন মর্মে তিনি  আশাবাদ ব্যক্ত করেন।  স্বাস্থ্যবিধি অনুসরন করে  ও  সামাজিক দূরত্ব বজার রেখে অনুষ্ঠিত এ ওরিয়েন্টেশনে প্রাক্তন প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুর রশিদ এবং ২২তম ব্যাচের পক্ষ থেকে মোঃ সোহেল আহমদ,  মোঃ শিব্বির আহমদ ও ভক্তিমূলক সংগীত পরিবেশন করেন মাওলানা আব্দুল্লাহ এবং শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত পেশ করেন মোঃ আব্দুল মালিক।  

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ