কুলাউড়া প্রতিনিধি::
৫:২৬ অপরাহ্ণ
কুলাউড়ায় প্রবাসী স্বামীর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের দাবী স্ত্রী’র
কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের পূর্বভাগ গ্রামের নুরুল ইসলাম চৌধুরীর পুত্র প্রবাসী আমিরুল ইসলাম চৌধুরী শিমু গতবছরের ৪ এপ্রিল কাতারে আকস্মিক মুত্যু বরণ করেন। মৃত্যুর প্রায় ১০ মাস পর তাঁর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য জোর দাবী তুলেছেন শিমুর স্ত্রী রোজিনা আক্তার। স্ত্রীর অভিযোগ স্বামী শিমুকে তাঁর মামাতো ভাইয়েরা একই ইউনিয়নের চানপুর গ্রামের আব্বাছ আলীর ছেলে যথাক্রমে উজ্জল, খায়রুল, আজহারুল ইসলাম ও খছরু গংরা কাতারে নির্যাতন ও মারধর করলে তাঁর মৃত্যু হয়।
বিধবা রোজিনা আক্তার জানান, তার স্বামী কাতারে মৃত্যুর ৯ দিন পর ফোনে বিষয়টি অবগত করেন শিমুর আরেক মামাতো ভাই প্রবাসী কামাল। এর পর লাশ দেশে নিয়ে আসা হলে সেই সময় ময়না তদন্ত ছাড়া স্বামীর লাশ দাফন করতে দেবেন না বলে স্ত্রী রোজিনা অনড় থাকলে তখন উপস্থিত গন্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতে শিমু চৌধুরীর মামাতো ভাই নাসির উদ্দিন বিচারের আশ্বাস দিয়ে তাকে বুঝিয়ে লাশ দাফনের ব্যবস্থা করেন।
পরবর্তীতে শরীফপুর ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান জনাব আলী ও ইউপি সদস্য মখদ্দছ আলী, ইসমাইল আলী এবং শিমু চৌধুরীর মামাতো ভাই নাসির উদ্দিন, মামা আব্বাছ আলী ও অভিযুক্ত কাতার প্রবাসী উজ্জলের উপস্থিতিতে নিহত শিমু চৌধুরীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার রায় ঘোষণা করা হয়। নিহত শিমু চৌধুরীর পরিবারের লোকজনের দাবী ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলোর একটি ভিডিও ফুটেজ তাদের কাছে রয়েছে। কিন্তু সেই বিচারের রায় মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও কার্যকর কোনো ভূমিকা পালন করেনি অভিযুক্ত পরিবাররা। একপর্যায়ে দুটি সন্তানের লেখাপড়ার খরছ ও সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠে রোজিনার। বর্তমানে মানবেতর জীবন পার করছেন তারা। নিরুপায় হয়ে এতিম দুটি সন্তানকে নিয়ে বিধবা রোজিনা আক্তার সাম্প্রতিক কিছুদিন আগে স্বামী হত্যার বিচার ও তার প্রাপ্য টাকা আদায়ের লক্ষ্যে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। কিন্তু এই সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে উল্টো প্রতিপক্ষরা তাকে এবং তার শশুর বাড়ির লোকজনকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন বলে সরজমিন গেলে এমন অভিযোগ করেন রোজিনা সহ তার স্বজনরা।
এছাড়াও সরেজমিন নিহত শিমু চৌধুরীর পূর্বভাগ গ্রামের বাড়ীতে গেলে সেখানে সুনসান নিরবতা লক্ষ্য করা গেছে। বৃদ্ধ পিতা নুরুল ইসলাম চৌধুরী ছেলেকে হারিয়ে মানসিকভাবে অনেকটা ভেঙ্গে পড়েছেন। শিমু চৌধুরীর ভাই এবাদুল ইসলাম (আনোয়ার) কেঁদে কেঁদে ঘটনার মূল রহস্য বের করার পাশাপাশি বেঠকে যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিলো তা বাস্তবায়নের দাবী জানান।
রোজিনা আক্তার আরো জানান, তার স্বামীর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত সহ ঘটনার সুষ্ঠ বিচারের দাবীতে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক, প্রশাসন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয় বরাবরে শীঘ্রই একটি লিখিত আবেদনপত্র দিচ্ছেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পূর্বভাগ গ্রামের অনেকেই জানান, শিমু চৌধুরী বিদেশ মারা যাওয়ার বিষয়টি তারা শুনেছেন। কিন্তু কিভাবে মারা গেছেন তার পুরো তথ্য না জানলেও দেশে লাশ নিয়ে আসার পর দাফনের পূর্বে কিছু ঝামেলা হওয়ার বিষয়টি তারা নিশ্চিত করেন।
শরীফপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মখদ্দছ আলী শালিশী বৈঠকে সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমিরুল ইসলাম চৌধুরী শিমুর মৃত্যুর ঘটনায় ৫ লক্ষ টাকা রোজিনা ও তার সন্তানদের দেয়ার জন্য অভিযুক্ত উজ্জল, খায়রুল, আজহারুল ও খছরুল গংরা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু এখনো তাঁরা সেই টাকা পরিশোধ করেনি বলে শুনেছি।
বেঠকের মধ্যস্থ্যকারী শিমু চৌধুরীর মামাতো ভাই নাসির উদ্দিন জানান, আমরা প্রথমে কিছু টাকা নিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু রোজিনা ও তার শশুর বাড়ির লোকজন সেই টাকা রেখে অসৌজন্যমূলক আচরন করে। পরে আমরা সেখান থেকে চলে আসি। আপনারা দেখেন বিষয়টি সমাধান করতে পারেনকিনা।
শরীফপুর ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান জনাব আলী মুঠোফোনে বলেন, বৈঠকে পতিপক্ষরা নিজে থেকে বলেছিলো ৩ লক্ষ টাকা দিবে রোজিনার পরিবারকে। পরে বৈঠকে সবার সিদ্ধান্তে হয়েছিলো নিহতের স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের বরনপোষন বাবদ ৫ লক্ষ টাকা দেয়ার জন্য। যদিও উজ্জল গংরা ৫ লক্ষ টাকা দিতে অনেকটা অনিহা প্রকাশ করছিলো। কিন্তু টাকা পরিশোধ হয়েছি কিনা উভয় আমাকে আর কিছু জানায়নি।
বিধবা রোজিনা আক্তার জানান, তার স্বামী কাতারে মৃত্যুর ৯ দিন পর ফোনে বিষয়টি অবগত করেন শিমুর আরেক মামাতো ভাই প্রবাসী কামাল। এর পর লাশ দেশে নিয়ে আসা হলে সেই সময় ময়না তদন্ত ছাড়া স্বামীর লাশ দাফন করতে দেবেন না বলে স্ত্রী রোজিনা অনড় থাকলে তখন উপস্থিত গন্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতে শিমু চৌধুরীর মামাতো ভাই নাসির উদ্দিন বিচারের আশ্বাস দিয়ে তাকে বুঝিয়ে লাশ দাফনের ব্যবস্থা করেন।
পরবর্তীতে শরীফপুর ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান জনাব আলী ও ইউপি সদস্য মখদ্দছ আলী, ইসমাইল আলী এবং শিমু চৌধুরীর মামাতো ভাই নাসির উদ্দিন, মামা আব্বাছ আলী ও অভিযুক্ত কাতার প্রবাসী উজ্জলের উপস্থিতিতে নিহত শিমু চৌধুরীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার রায় ঘোষণা করা হয়। নিহত শিমু চৌধুরীর পরিবারের লোকজনের দাবী ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলোর একটি ভিডিও ফুটেজ তাদের কাছে রয়েছে। কিন্তু সেই বিচারের রায় মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও কার্যকর কোনো ভূমিকা পালন করেনি অভিযুক্ত পরিবাররা। একপর্যায়ে দুটি সন্তানের লেখাপড়ার খরছ ও সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠে রোজিনার। বর্তমানে মানবেতর জীবন পার করছেন তারা। নিরুপায় হয়ে এতিম দুটি সন্তানকে নিয়ে বিধবা রোজিনা আক্তার সাম্প্রতিক কিছুদিন আগে স্বামী হত্যার বিচার ও তার প্রাপ্য টাকা আদায়ের লক্ষ্যে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। কিন্তু এই সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে উল্টো প্রতিপক্ষরা তাকে এবং তার শশুর বাড়ির লোকজনকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন বলে সরজমিন গেলে এমন অভিযোগ করেন রোজিনা সহ তার স্বজনরা।
এছাড়াও সরেজমিন নিহত শিমু চৌধুরীর পূর্বভাগ গ্রামের বাড়ীতে গেলে সেখানে সুনসান নিরবতা লক্ষ্য করা গেছে। বৃদ্ধ পিতা নুরুল ইসলাম চৌধুরী ছেলেকে হারিয়ে মানসিকভাবে অনেকটা ভেঙ্গে পড়েছেন। শিমু চৌধুরীর ভাই এবাদুল ইসলাম (আনোয়ার) কেঁদে কেঁদে ঘটনার মূল রহস্য বের করার পাশাপাশি বেঠকে যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিলো তা বাস্তবায়নের দাবী জানান।
রোজিনা আক্তার আরো জানান, তার স্বামীর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত সহ ঘটনার সুষ্ঠ বিচারের দাবীতে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক, প্রশাসন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয় বরাবরে শীঘ্রই একটি লিখিত আবেদনপত্র দিচ্ছেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পূর্বভাগ গ্রামের অনেকেই জানান, শিমু চৌধুরী বিদেশ মারা যাওয়ার বিষয়টি তারা শুনেছেন। কিন্তু কিভাবে মারা গেছেন তার পুরো তথ্য না জানলেও দেশে লাশ নিয়ে আসার পর দাফনের পূর্বে কিছু ঝামেলা হওয়ার বিষয়টি তারা নিশ্চিত করেন।
শরীফপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মখদ্দছ আলী শালিশী বৈঠকে সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমিরুল ইসলাম চৌধুরী শিমুর মৃত্যুর ঘটনায় ৫ লক্ষ টাকা রোজিনা ও তার সন্তানদের দেয়ার জন্য অভিযুক্ত উজ্জল, খায়রুল, আজহারুল ও খছরুল গংরা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু এখনো তাঁরা সেই টাকা পরিশোধ করেনি বলে শুনেছি।
বেঠকের মধ্যস্থ্যকারী শিমু চৌধুরীর মামাতো ভাই নাসির উদ্দিন জানান, আমরা প্রথমে কিছু টাকা নিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু রোজিনা ও তার শশুর বাড়ির লোকজন সেই টাকা রেখে অসৌজন্যমূলক আচরন করে। পরে আমরা সেখান থেকে চলে আসি। আপনারা দেখেন বিষয়টি সমাধান করতে পারেনকিনা।
শরীফপুর ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান জনাব আলী মুঠোফোনে বলেন, বৈঠকে পতিপক্ষরা নিজে থেকে বলেছিলো ৩ লক্ষ টাকা দিবে রোজিনার পরিবারকে। পরে বৈঠকে সবার সিদ্ধান্তে হয়েছিলো নিহতের স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের বরনপোষন বাবদ ৫ লক্ষ টাকা দেয়ার জন্য। যদিও উজ্জল গংরা ৫ লক্ষ টাকা দিতে অনেকটা অনিহা প্রকাশ করছিলো। কিন্তু টাকা পরিশোধ হয়েছি কিনা উভয় আমাকে আর কিছু জানায়নি।
ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন
কোম্পানীগঞ্জে স'.ন্ত্রাসী হাম'লায় আ'হত শ্রমিক নেতা আবুলের মৃ'.ত্যু
হাইকোর্টের আদেশ অ'মান্য করে ঢাকাদক্ষিণ ডাকবাংলোয় মার্কেট নির্মাণ
আবুল হোসেনের উপর হাম'লার প্রতি'বাদে শ্রমিক ইউনিয়নের মান'বব'ন্ধন
জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি সিলেট মহানগরের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা
ক্ষ'তিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
গোলাপগঞ্জে গৃহবধূ মোহনার উত্তাপ না কা'টতেই ঝুমকির মৃ.'ত্যু!
ঈদ সামনে রেখে জকিগঞ্জ সীমান্তে ভা'রতীয় গরুর ‘হেল্লুছ’…
শি'শু ফাহিমার বাসায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
গোলাপগঞ্জে স্ত্রী মোহনা হ.'ত্যা মাম'লায় ঘা'.তক স্বামী আ'টক
জগন্নাথপুরে জমে উঠেছে কো'রবানির প'শুর হাট
জকিগঞ্জে কো.'রবা'নির প.'শু জ.'বাই, চামড়া সংরক্ষণ ও লবণ…
অর্ণব আল-হারামাইন জামে মসজিদ নির্মাণ কাজের প্রস্তাব নিয়ে…
৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
৪ বছর পর সিংহাসন হারালেন গোলাম কিবরিয়া !
ছাতকের গ্রামের বাড়ীতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন শহীদ ডাঃ…
বন্যায় বিপাকে শাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী
সিলেট আসা লন্ডনীরা ৫ ঘন্টা ধরে বাসে
স্টুডেন্ট ভিসা সুখবর নয়, বিপদ
রায়হানের পরিবারের পাশে খন্দকার মুক্তাদির
সিলেটে ২৫ বছর পর হারানো ভূমি ফিরে পেল…
ব্যারিস্টার সুমন ও ইশরাতকে জরিমানা
সিলেটে আসছেন সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডা: বিলকিস ফাতেমা
কবর থেকে লাশ তোলা হবে রায়হানের
সিলেটে আলোচনার কেন্দ্র আজাদ-রণজিৎ
আমাদের ফেসবুক পেইজ