শনিবার, এপ্রিল ১৮, ২০ ২৬
জুবায়ের আহমদ, সুনামগঞ্জ থেকে ফিরে::
২০ জুলাই ২০ ২৫
৭:১৫ অপরাহ্ণ

বার্তাটি দিয়েছেন সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা–জামালগঞ্জ–মধ্যনগর) আসনে বিএনপি দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী
জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতেই আমার অঙ্গীকার: অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী

“আমি কোনো পদ-পদবি চাই না, আমি ফিরতে চাই জনগণের কাছে—তাদের ভালোবাসা, আস্থা আর বিশ্বাস নিয়ে আবারও লড়তে। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়েই আমি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি।” — এই আবেগঘন বার্তাটি দিয়েছেন সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা–জামালগঞ্জ–মধ্যনগর) আসনে বিএনপি দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী, অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী।

শনিবার (১৯ জুলাই) সকাল ১১টায় ধর্মপাশা উপজেলার দশধরী গ্রামে অবস্থিত জোবাইদা গার্ডেনে এক হৃদয়ছোঁয়া সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ও পরীক্ষিত এক নেতৃত্বের নাম।

তিনি দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর দায়িত্ব ও পরিচয়ের মধ্যে রয়েছে— সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি সাবেক সদস্য, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক কমিটি সাবেক সহ-সভাপতি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল রাজনীতির ময়দানে তিনি কেবল সংগঠকই নন, ছিলেন একজন পরীক্ষিত ও নির্যাতিত সংগ্রামী যোদ্ধা।

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেছেন, কিন্তু কখনও আপস করেননি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে নির্বাচন করেন। ওই নির্বাচনে সুনামগঞ্জ জেলায় বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পান তিনিই। একইসঙ্গে, সিলেট বিভাগের মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, “দেশ আজ সুশাসনের চরম অভাবে ভুগছে। রাজনৈতিক বিভাজন, দুর্নীতি ও অনাচার বেড়ে চলেছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য এখন প্রয়োজন সৎ, সাহসী ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ নেতৃত্ব।” তিনি আরও বলেন, “আমি আন্দোলনের মাঠে নির্যাতিত হয়েছি, কারাগারে থেকেছি। কিন্তু কখনো মাথা নত করিনি।

আজও সেই দৃঢ়তা ও সাহস নিয়ে রাজনীতির মাঠে ফিরছি। যদি দল আমাকে মনোনয়ন দেয়, আমি বিশ্বাস করি জনগণ আমাকে ভালোবেসে জয়ী করবে।” সাংবাদিক সম্মেলনের শেষ অংশে তিনি সুনামগঞ্জবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, “এই লড়াই কেবল একটি আসনের নয়—এটি দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়ের এবং মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াই।

আসুন, আমরা সবাই মিলে গড়ি একটি সৎ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।” অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা ঘোষণাকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা ও আশার সঞ্চার হয়েছে। এই প্রত্যাবর্তন কেবল একজন প্রার্থীর নয়, বরং একটি গণতান্ত্রিক স্বপ্নের পুনর্জাগরণ—যা সুনামগঞ্জবাসীর হৃদয়ে জাগিয়ে তুলেছে দুর্নীতিমুক্ত আগামীর প্রত্যাশা।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ