৭:৪০ অপরাহ্ণ
কমলগঞ্জে কিশোরীকে গণধর্ষণ, আটক ৩
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এক কিশোরীকে প্রেমের লোভ দেখিয়ে প্রেমিকসহ কয়েকজনে মিলে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে অভিযুক্ত প্রেমিকসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শনিবার রাত ১১টায় দেওড়াছড়া চা-বাগান ও প্রেমনগর চা বাগান এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রহিমপুর ইউনিয়নের দেওড়াছড়া চা বাগানের জব্বার মিয়া প্রকাশ খালিকের ছেলে জুবেল মিয়া (২২), একই এলাকার মায়া রঞ্জিত রিকমনের ছেলে বকুল রিকমন(২০) ও অমূল্য রিকমনের ছেলে শিপন রিকমন (২০)।
স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, পতনঊষার ইউনিয়নের শ্রীসুর্য্য হালাবাদী গ্রামের কিশোরী (১৬) তার প্রেমিকের সঙ্গে শমশেরনগর বাজারে দেখা করতে যায়।
এ সময় জোরপূর্বক শমশেরনগর থেকে সিএনজিতে উঠিয়ে প্রথমে দেওড়াছড়া চা-বাগানে শিপন রিকমনের বাসায় নিয়ে কিশোরীর প্রেমিকসহ তার বন্ধুরা মিলে পালাক্রমে গনধর্ষণ করে। পরে সেখান থেকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে করে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার প্রেমনগর চা-বাগান এলাকার নির্জন স্থানে নিয়ে আবারও পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে কিশোরিকে মুন্সীবাজার ফেলে রেখে যায়।
পরে স্থানীয়রা কিশোরী পরিবারকে খবর দিলে সেখান থেকে উদ্বার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলার বাদী কিশোরীর বাবা নেছার মিয়া জানান, পরিবারের অজান্তে মেয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় শমশেরনগর বাজার এলাকায়। সেখান থেকে সিএনজি করে তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করছে। এর সুষ্ট বিচার দাবি করছি।
শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন জানান, কিশোরীর সঙ্গে দেওড়াছড়া চা-বাগান এলাকার এক যুবকের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৬ জনকে আসামী করে একটি মামলা হয়েছে। পরে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ধর্ষিতা কিশোরী মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।