১১:১৬ অপরাহ্ণ
কমলগঞ্জে চলাচল রাস্তায় পাঁকা খুঁটি স্থাপন: অবরুদ্ধ হল ২০ টি পরিবার
গ্রামে চলাচলের রাস্তায় খুঁটি পুঁতে প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ করেছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়ের ভাঁসানীগাঁও গ্রামের ১৫/২০ পরিবারের সদস্যরা। বুধবার(৩০ নভেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে গেলে দেখা যায় ১৫/২০ পরিবারের যাতায়াতের একমাত্র সড়কে পাঁকা খুঁটি পুঁতে রাখা হয়েছে।
ভুক্তভোগি আলমাছ মিয়া,তাহির মিয়া ও ইউসুফ মিয়া জানান, শত বৎসর যাবৎ আমরা এ দিয়ে চলাচল করে আসছি হঠাৎ গত চার দিন আগে আমাদের প্রতিবেশী রাস্তার বর্তমান রেকর্ডীয় মালিক মো.সিরাজ উদ্দিন রাস্তার মাঝামাঝি জায়গায় বাশের খুঁটি স্থাপন করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার কে বিষয়টি জানাই।
কিন্তু চেয়ারম্যান মেম্বারের কথা তুয়াক্কা না করে সিরাজ উদ্দিন ওই সড়কে দু'দিন পর পাঁকার খুঁটি স্থাপন করে আমাদেরকে রাস্তায় যাতায়াতে নিষেধ করে। তারা আরও জানায়, উনার বাবা ও দাদা থাকাকালীন এই সড়ক দিয়ে আমরা যাতায়াত করে আসছি, কিন্তু কোন দিন কেউ বাধা প্রদান করেননি।
এদিকে আমন ধান কেঁটে বাড়িতে নিয়ে এসে রাস্তায় খুঁটির কারনে মাড়াই মেশিং বাড়িতে নিতে না পারায় নষ্ট হচ্ছে কাঁটা ধান। বিষটির সুরাহার জন্য কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো.মোতাহের আলী বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ দেখে আসছি এসড়ক দিয়ে ১৫/২০ টি পরিবার চলাচল করছে। হঠাৎ সড়কটি বন্ধ করে দেয়ায় পরিবার গুলো ভুগান্তিতে পড়ে।
বিষয়টি নিয়ে আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবসহ বসে সমাধানের চেষ্টা করলে সিরাজ মিয়া বসতে রাজি হননি এবং সড়কে পুঁতে রাখা খুঁটিও অপসারন করবেননা বলে জানান। এবিষয়ে জানতে মো.সিরাজ উদ্দিনকে পাওয়া না গেলেও তার মেয়ে জেনি আক্তার জানান, আমার বাবা বাড়িতে নেই অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে রয়েছেন, তিনি আসলে বিস্তারিত জানাবেন।
কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সঞ্জয় চক্রবর্তী অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্তক্রমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সিফাত উদ্দিন জানান,রাস্তাটি যেহেতু ব্যক্তি মালিকানাধিন জায়গায়। আমি স্থানীয় চেয়ারম্যান সাহেবকে বলেছি আমরা উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।