বুধবার, এপ্রিল ২১, ২০ ২১
জাবেদ তালুকদার, নবীগঞ্জ::
৭ এপ্রিল ২০ ২১
২:০ ০ অপরাহ্ণ

এ কেমন লকডাউন? সবই চলছে শুধু মানা হচ্ছেনা স্বাস্থবিধি!

দেশে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই ক্রমশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আক্রান্তের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা কিন্তু স্বাস্থবিধি মানার বালাই নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে। এ অবস্থায় গত সোমবার থেকে দেশব্যাপি ৭দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। প্রতিদিনের মতো নবীগঞ্জ শহরে অবাধে জনসাধারণের চলাচল না থাকলেও মাস্কবিহীন চলাফেরা করছেন জনসাধারণ।

লকডাউনের নিয়ম-নীতীর তোয়াক্কা না করে দেদারসে ব্যবসা-প্রতিষ্টান পরিচালনা করছেন ব্যবসায়ীরা। লকডাউনকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়েছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যাবসায়ীরাও। পণ্যের গায়ে লেখা মূল্যের চাইতে বেশি মূল্যেও বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী। গতকাল মঙ্গলবার নবীগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাস্কবিহীন অবাধে চলাফেরা করছেন জনসাধারণ। বস্ত্র বিতান, জুতার দোকান, কসমেটিক্স দোকান, লাইব্রেরী সহ সবকিছুই খোলা।

কাচা-বাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা জায়গায় উন্মুক্ত স্থানে খোলা থাকার কথা থাকলেও পূর্বের নিয়মেই দোকান কোটা এবং রাস্তার পাশে সন্ধার পরও তা খোলা দেখা যায়। টমটম, সিএনজি ও অটোরিক্সাও চলতে দেখা যায় এবং ট্রাফিক জ্যামও লক্ষ করা যায় নবীগঞ্জ শহরে। অনেক ব্যাবসায়ীরা নিজেরা মাস্ক পড়ছেননা এবং স্বাস্থবিধিও মানছেননা। দোকানে টেলাটেলি অবস্থায় কাস্টমারদের ভিড়ও এসময় লক্ষ করা যায়।

খাবারের দোকান ও হোটেল রস্তোরা থেকে শুধু খাবার ক্রয় করে নিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও নবীগঞ্জ শহরের বেশ কয়েকটি হোটেল-রেস্তোরাতে মানা হচ্ছেনা এসব নিয়ম। হোটেল-রেস্তোরায় বসেই খাবার খেতে দেখা যায় অনেককে। বেশি দামে খাবার বিক্রি করতেও দেখা যায় অনেককে। এদিকে লকডাউনকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়েছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যাবসায়ীরা। পণ্যের গায়ে লেখা মূল্যের তুলনায় বেশি মূল্যে পণ্য-সামগ্রী বিক্রি করতে দেখা যায় এসব ব্যাবসায়ীদেরকে। সন্ধা ৬টার পর ঘর থেকে বের হতে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সন্ধা ৬টার পরও জনসাধারণকে ঘুরাঘুরি ও আড্ডা দিতে দেখা যায়।

লকডাউনে প্রশাসনের নজড়দাড়ি ও টহল জোড়দার করার কথা থাকলেও প্রশাসনের খুব একটা নজরদাড়ি নেই নবীগঞ্জে। লকডাউনের ১ম দিনে অভিযানে নেমেছিলেন সহতারী কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া মমিন। এসময় যারা বিধি-নিষেধ অমান্য করে ব্যাবসা প্রতিষ্টান চালাচ্ছিল তাদের ব্যাবসা বন্ধ করে দেন এবং মাস্ক না পড়ায় ৪ জনকে ও কোচিং পড়ানোর দায়ে ১জনকে সহ মোট ৫জনকে ১,৩৫০টাকা জরিমানা করেন তিনি। তিনি অভিযান থেকে আসার পর ব্যাবসায়ীরা আবার পূর্বের ন্যায় তাদের ব্যাবসা চালাচ্ছেন।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ