বুধবার, মার্চ ১১, ২০ ২৬
আসহাবুজ্জামান শাওন, কমলগঞ্জ::
৯ ফেব্রুয়ারী ২০ ২৬
১১:০ ৮ অপরাহ্ণ

মৌলভীবাজার-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
মি'থ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত হতে চাই না : নূরে আলম হামিদী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মৌলভীবাজার-৪ আসনের ১১ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা শেখ নূরে আলম হামিদী ২২ দফা পরিকল্পনা ও নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ ইশতেহার ঘোষণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমি নির্বাচিত হতে চাই না।

অন্যান্য দলের প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন ফ্যামেলী কার্ড, কৃষি কার্ড দেয়া হবে। কিন্তু সাধারণ মানুষ জানে, তারা কিছুই পাবে না। আমি তাদের মত যা করতে পারব না, সেই আশ্বাস দিব না।

ইনশাআল্লাহ রিকশা মার্কা বিজয়ী হলে আমার দেয়া ২২ দফা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে।’ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি মুফতী হাবিবুর রহমান কাসেমী, সহ-সভাপতি মাওলানা নুরুল মুত্তাকিন জুনায়েদ, খেলাফত মজলিস কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতী শামসুল ইসলাম লিয়াকত, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা জয়নাল আবেদিন সাহেপুরী, সেক্রেটারী শামসুল ইসলাম, মাওলানা আবুল কালাম চুনারুঘাটি, কমলগঞ্জ সমাজ কল্যান পরিষদের সভাপতি হাফিজ ফাত্তাহুর রসিদ চৌধুরী মাহফুজ, খেলাফত মজলিস কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ছদরুল ইসলাম মাছুম ও হাফেজ শাকের আহমদ রাফি প্রমূখ।

১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীর ২২ দফা পরিকল্পনা ও নির্বাচনী ইশতেহারের মধ্যে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যমুক্ত সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে সকল অপশক্তি নির্মূলে সাহসী ভূমিকা পালন করা। খনিজ সম্পদে ভরপুর মৌলভীবাজার-৪ আসনের বঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের পক্ষে দাঁড়ানো।

আধুিনক ও টেকসই সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিশেষ করে গ্রামীণ সড়কের সংস্কার ও নতুন সড়ক নির্মাণ। প্রয়োজনীয় সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ এবং পুরোনোগুলো সংস্কার। প্রয়োজনীয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত এবং বন্যা মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি নেয়া। শিক্ষা প্রতিষ্ঠাগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাল ক্লাসরুম স্থাপন এবং মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ, পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।

গ্রামীণ এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও নতুন ক্লিনিক স্থাপন করা। গর্ভবর্তী মা ও শিশুদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা।

কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষক সমাজের উন্নয়ন, কৃষকদের ভর্তুকি প্রদান এবং মৎস্য চাষে আধুনিকীকরণ, মৎস্যজীবীদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং জলমহালগুলোতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা।

এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাসহ আরও অনেক পরিকল্পনা রয়েছে।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ