আসহাবুজ্জামান শাওন,কমলগঞ্জ::
৯:১৪ অপরাহ্ণ
কমলগঞ্জে ধলাই নদীর ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধে রাত জেগে মেরামত
লাঘাটা নদীর ভাঙ্গনে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ধলাই নদীর পানিবৃদ্ধি পেয়ে প্রতিরক্ষা বাঁধের ৯টি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। বাঁধ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় এলাকাবাসী সেচ্ছাশ্রমে রাত জেগে মেরামত করেন। লাঘাটা নদীর বাঁধ ভেঙে নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে দু’শতাধিকেরও বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ছে। রবিবার রাতে পতনঊষারের গুপিনগর এলাকায় লাঘাটা নদীর বাঁধ ভেঙে কান্দিগাঁও ও রাদাগবিন্দপুর এলাকায় পানি উঠতে শুরু করছে।
জানা যায়, উপজেলার লক্ষীপুর, করিমপুর, গোপাল নগর, কুশালপুর, ঘোড়া মারা, লংঘরপুর ও গোলের হাওর এলাকায় ধলাই নদীর ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় মেরামতের কাজ চলছে। রহিমপুর ও মুন্সিবাজার ইউনিয়নের করিমপুর ও লক্ষীপুর এলাকায় ধলাই নদীর বেড়িবাঁধ আংশিক ভেঙে গেলে স্থানীয় এলাকাবাসী রাত জেগে মেরামত করায় ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পায় এলাকাবাসী। লাঘাটা নদীর পতনউষার ইউনিয়নের গোপীনগর এলাকায় বাঁধ ভেঙ্গে গ্রামে পানি প্রবেশ করে। ভারী বর্ষন ও উজানের পাহাড়ি ঢলে নি¤œাঞ্চলের শমশেরনগর, পতনঊষার ও মুন্সীবাজার ইউনিয়নের ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে পতনঊষার কেওলার হাওরের আশপাশসহ কয়েকটি এলাকায় দু’শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় এলাকার বানবাসী লোকজন জানান, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরকে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংষ্কার করার জন্য দাবি জানানো হচ্ছে কিন্তু এ বিষয়ে তাঁরা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। লক্ষীপুর এলাকায় সুরঞ্জিত পাল বলেন, ধলাই নদীতে অপরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তলনের কারণে নদীর বেশকিছু বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে।
সাতির মিয়া, আব্দুল মন্নান, হাসিনা বেগম জানান, লাঘাটা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে হঠাৎ বাঁধ ভেঙে পানি চলে আসে রাস্তা ঘাটে। বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করেও পারা যায়নি। ইউপি সদস্য রিপন ইসলাম ময়নুল বলেন, লাঘাটা নদীর বাঁধ দ্রুত পানি বন্দি লোকজনের মাঝে সরকারি ত্রাণ দেওয়ার প্রয়োজন। পতনঊষার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অলি আহমদ খান বলেন, পানি বন্দিদের নামের তালিকা করা হচ্ছে।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সাকিব হোসেন বলেন, ধলাই নদীর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ গুলোর মেরামতের কাজ চলছে। এখনো ধলাই নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন বলেন, উপজেলার বেশকিছু ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ মেরামতের কাজ চলছে। লাঘাটা নদী ভাঙনে লোকজন পানিবন্ধি না হলেও রাস্তাঘাট সহ বিভিন্ন স্থানে পানি উঠতে শুরু করছে। সরজমিন যাচ্ছি পানির অবস্থা দেখে পানি বন্দিদের নামের তালিকা তৈরি করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের বলা হয়েছে। তাদেরকে দ্রুত ত্রাণ দেওয়া হবে।
ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন
জাগপা সিলেট জেলা ও মহানগরের মতবিনিময় সভায় ইঞ্জিনিয়ার…
যুক্তরাজ্যস্থ দিরাইবাসীর উদ্যোগে বিবিসিসিআই লন্ডন রিজিয়নের চেয়ারম্যানের সম্মানে…
জগন্নাথপুরে সংঘ'র্ষের ঘটনায় আরেকজনের মৃ*ত্যু, গ্রেফ'তার ৪
২৮ অক্টোবরের হ'ত্যাকা'ণ্ডের প্রতি'বাদে সিলেট মহানগর শিবিরের বি'ক্ষো'ভ…
বাজুস সিলেট জেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর…
অবৈধ উপায়ে বিদেশ গমন বন্ধ এবং বৈধ পন্থায়…
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেটে সমাবেশ ও র্যালি
ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী
গোলাপগঞ্জে দেশীয় অ'স্ত্রসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আ'টক
বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ক ও শ্রম খাতের উন্নয়ন নিয়ে শ্রম…
জগন্নাথপুরে গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘ'র্ষে…
অচিরেই নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে: শ্রম…
৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
৪ বছর পর সিংহাসন হারালেন গোলাম কিবরিয়া !
ছাতকের গ্রামের বাড়ীতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন শহীদ ডাঃ…
সিলেট আসা লন্ডনীরা ৫ ঘন্টা ধরে বাসে
বন্যায় বিপাকে শাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী
স্টুডেন্ট ভিসা সুখবর নয়, বিপদ
রায়হানের পরিবারের পাশে খন্দকার মুক্তাদির
সিলেটে ২৫ বছর পর হারানো ভূমি ফিরে পেল…
ব্যারিস্টার সুমন ও ইশরাতকে জরিমানা
সিলেটে আসছেন সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডা: বিলকিস ফাতেমা
কবর থেকে লাশ তোলা হবে রায়হানের
সিলেটে আলোচনার কেন্দ্র আজাদ-রণজিৎ
আমাদের ফেসবুক পেইজ