৮:২৭ অপরাহ্ণ
ফলোআপ:
কমলগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ডাকাতির ৬ দিনের মাথায় মূল হোতা কালন র্যাবের হাতে আটক
গত ৬ নভেম্বর সন্ধ্যা রাতে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পশ্চিম বাঘবাড়ী গ্রামে ডিবি পরিচয়ে দিয়ে সেনা সদস্য সুনীল সিংহের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় একযোগে ঘটনাটির সংবাদ প্রকাশ হলে দেশব্যাপি আলোচনার ঝড় উঠে। এঘটনায় আসামীদের আইনের আওতায় আনতে তদন্তে মাঠে নামে সিলেট র্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের সদস্যরা। তদন্তের একপর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও তাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতদের অবস্থান সনাক্ত করে।
শনিবার রাতে র্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযানে মাঠে নেমে কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর এ ডাকাতি ঘটনার মূলহোতা ইসলামপুর ইউনিয়ন এর শ্রীপুর গ্রামের মৃত গনি মিয়ার ছেলে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার কালন মিয়া (৪৪) কে শ্রীপুর গ্রাম থেকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় অস্ত্র,চুরি,ডাকাতির একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।
রোববার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় অধিনায়কের কার্যালয়, র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান-৯ সিলেট সদর দপ্তর থেকে প্রেস বিফিং এর মাধ্যমে তা জানানো হয়। আসামী কালন মিয়াকে রোববার বিকালে কমলগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত সোমবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পশ্চিম বাঘবাড়ি গ্রামের সেনা সদস্য র্যাপিট এ্যাকশন ব্যাটলিয়ান (র্যাব) এ কর্মরত সুনীল সিংহের বাড়ীতে মুখোশধারী দুই ব্যক্তি ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে তার বৃদ্ধ পিতা চন্দ্র সিংহ,(৭৫) মা কৃষ্ণকুমারী সিনহা (৫৫) চাচী রাজকুমারী সিনহা (৫০) কে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত,পা বেধে ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার,মোবাইল সেটসহ নগদ অর্থ লুঠ করে নিয়ে পালিয়ে যায়।
ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর তাদের আত্নচিৎকারে এলাকাবাসীরা এগিয়ে গিয়ে তাদের ঘরের মধ্যে বাধা অবস্থায় দেখতে পান। পরে বৃদ্ধার পরিবার ঘটনা খুলে বলেন। গত ৭ নভেম্বর এঘটনায় সুনিল কুমারের পিতা বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত দুই ব্যাক্তির নামে অভিযোগ দায়ের করার ৬ দিনের মাথায় ঘটনায় জড়িত ডাকাত সরদার কালন মিয়াকে আটক করলো র্যাব সদস্যরা।