রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০ ২৬
বিজ্ঞপ্তি::
২৭ মে ২০ ২২
১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

প্রযুক্তিকে পিছনে ফেলে নয়, সাথে নিয়েই এগুতে হবে: অধ্যক্ষ লে. কর্ণেল (অব.) মুনীর আহমেদ কাদেরী
স্কলার্সহোমে বার্ষিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

স্কলার্সহোম শাহী ঈদগাহ ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ লে. কর্ণেল (অব.) মুনীর আহমেদ কাদেরী বলেছেন, সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে প্রযুক্তি আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যদিও প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং আসক্তিতে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই ভোগান্তির শিকার। কিন্তু তবুও প্রযুক্তিকে পিছনে ফেলে নয়, সাথে নিয়েই এগুতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রযুক্তি আমাদের সকলের কল্যাণের জন্য তৈরি করা হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই  প্রযুক্তি যেন আমাদেরকে নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারে।

স্কলার্সহোম শাহী ঈদগাহ ক্যাম্পাস আয়োজিত বার্ষিক ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার সময় তিনি একথা বলেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মে ২০২২) সকালে ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে সিনিয়র এবং জুনিয়রদের দুটি আলাদা গ্রুপের মধ্যে এ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সিনিয়র গ্রুপের বিতর্কের বিষয় ছিলো, ‘নাউঅ্যাডেইজ ইট ইজ টেকনোলজি, নট হিউম্যানস, দ্যাট কন্ট্রোলস দ্যা ওয়ে অব লিভিং ইন সোসাইটি’। এ বিষয়ের পক্ষের বক্তাগণ হলেন সুমন্ত শীর্ষা (নবম শ্রেণি), তাহলিদা ইয়াসমিন (নবম শ্রেণি) ও দলনেতা রাকিবুল ইসলাম চৌধুরী (একাদশ শ্রেণি)। বিপক্ষ দলের বক্তারা হলেন,  রাইয়ান চৌধুরী উইলিয়াম (একাদশ শ্রেণি), স্বপ্নীল রায় (নবম শ্রেণি) ও দলনেতা মাহাদিয়া জয়নুল খান (একাদশ শ্রেণি)।

জুনিয়র গ্রুপের বিতর্কের বিষয় ছিলো, ‘ইনফ্রা-স্ট্রাকচারাল ডেভলাপমেন্ট ইজ মোর ইম্পর্ট্যান্ট দ্যান ম্যাস এওয়ারনেস টু মিনিমাইজ রোড এক্সিডেন্টস’। এ বিষয়ের পক্ষের বক্তাগণ হলেন, আহনাফ জাহিন আকন্দ ( সপ্তম শ্রেণি), সাবিহা তাসনিম রিচি (অষ্টম শ্রেণি) ও দলনেতা দিব্যজ্যোতি গোস্বামী সূর্য (অষ্টম শ্রেণি)। বিপক্ষের বক্তাগণ হলেন, সম্পূর্ণা সাহা লস্কর (ষষ্ঠ শ্রেণি), ইসরাত হোসাইন খান (সপ্তম শ্রেণি) ও দলনেতা মাহেরা ইসলাম (অষ্টম শ্রেণি)।

সিনিয়র গ্রুপের পক্ষের দল এবং জুনিয়র গ্রুপের বিপক্ষের দল বিজয়ী হয়। সিনিয়র গ্রুপের শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন রাকিবুল ইসলাম চৌধুরী এবং জুনিয়র গ্রুপে যৌথভাবে দিব্যজ্যেতি গোস্বামী সূর্য ও মাহেরা ইসলাম।

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কলেজের উপাধ্যক্ষ আশরাফ হোসেন চৌধুরী। ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক কামরুল হক জুয়েলের পর্যালোচনায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক সুমিতা ধর, খোকন চন্দ এবং জীববিদ্যা বিভাগের প্রভাষক রথীন্দ্র কুমার রায়। অনুষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক নাজমুল হুসেইন চৌধুরী ও ফারজানা আলম।


ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ