সোমবার, জুলাই ২০ , ২০ ২৬
আসহাবুজ্জামান শাওন, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার)
১৯ জুলাই ২০ ২৬
৮:৫৬ অপরাহ্ণ

কমলগঞ্জে ১১ শত নারী চা শ্রমিক কে রেইনকোট পরিধান করিয়ে আলোচনায় এক চেয়ারম্যান প্রার্থী

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় নারী চা শ্রমিকদের কে রেইনকোট পরিধান করিয়ে আলোচনায় এসেছেন আগামীতে অনুষ্ঠিত স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের অংশ গ্রহণকারী চেয়ারম্যান প্রার্থী সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব মুহিবুল আলম।


রোববার (১৯ জুলাই) বিকাল সাড়ে পাচ টায় উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমা চা বাগানের নাট মণ্ডপে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মহিবুল আলমের পক্ষ থেকে কুরমা, বাঘাছড়া ও চাম্পারায় চা বাগানের ১১ শত নারী চা শ্রমিক কে বৃষ্টি থেকে নিজেদের কে সুরক্ষা দিতে রেইনকোট বিতরণের মাধ্যমে মানবিক সহায়তা প্রদান করেন তিনি। ​

স্থানীয় বিএনপি নেতা সুন্দর আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য মো. দুরুদ আহমদ। স্থানীয় বিএনপি কর্মী বারাম আলীর সঞ্চালনায় গেষ্ট অফ অনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আগামী ইউপি নির্বাচনে ইসলাম পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব মুহিবুল আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. আবুল হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান ।

অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন, ইসলাম পুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সবুজ মিয়া, কুরমা চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সাবেক সভাপতি নারথ পাশি প্রমূখ। বক্তারা বলেন, আমরা জানি বৃষ্টি বা রোদ—কোনো কিছুই আমাদের চা শিল্পের চাকা থামিয়ে রাখতে পারে না। আর এই শিল্পকে সচল রাখার ক্ষেত্রে আমাদের নারী শ্রমিকদের অবদান অসামান্য। পরিবারের দায়িত্ব সামলে, ঝড়-বাদলের দিনেও আপনারা যেভাবে বাগানে কাজ করেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

আপনাদের এই কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে এবং কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষাকে নিশ্চিত করতে বিএনপি নেতা মুহিবুল আলমের এমন উদ্যোগ আসলেই প্রশংসনীয়,তার এই মহৎ উদ্যোগ রেইনকোট বিতরণের মাধ্যমে আপনাদের কষ্ট কিছুটা লাঘব হবে। এই রেইনকোটগুলো আপনাদের বর্ষার দিনে বৃষ্টি ও ঠান্ডা থেকে সুরক্ষা দেবে এবং কাজে আরও স্বাচ্ছন্দ্য আনবে।

চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব মুহিবুল আলম বলেন, আমার পিতাও একসময় চা বাগানের শ্রমিক ছিলেন আমি জানি চা শ্রমিকরা কিভাবে জীবন যাপন করেন, ঝড়-বাদলের দিনেও বৃষ্টিতে ভিজে চা পাতা চয়ণ করে থাকেন, তাই তাদের কষ্টের ভেবে আমার এই সামান্য উদ্যোগ। এদিকে তার এমন মহৎ উদ্যোগের কারণে সকল চা শ্রমিকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ