১১:২৬ অপরাহ্ণ
কমলগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে মূহুর্তে পুড়ে ছাই চা শ্রমিকের বসতঘর
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের পাত্রখোলা চা বাগানের বাজার লাইন এলাকায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে আনু কূর্মী নামের এক চা শ্রমিকের বসতঘরসহ কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল মূহুর্তে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা চা বাগানের বাজার লাইন এলাকার আনু কূর্মীর বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে।
প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। স্থানীয়রা প্রায় ১ ঘন্টার চেষ্টা করে পৌনে ৮ টার দিকে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। কিন্তু ততক্ষণে বসতঘরের মাটির দেয়াল ছাড়া সমস্তকিছু আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর কমলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছালে স্থানীয় জনতার মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানান, আনুমানিক সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আনুকুর্মির পরিবারের চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে লোকজন এগিয়ে গেলে যাওয়ার পূর্বেই চতুর দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
তাৎক্ষণিক লোকজন পানি ও বালি ব্যবহার করে আগুন নেভাতে কাজ শুরু করেন। ততক্ষণে ঘরে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, ধান-চালসহ প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এদিকে আগুনের খবর পাওয়ার পৌনে এক ঘন্টা পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়দের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করে স্টেশনে ফিরে যেতে বাধ্য হন।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য দেবাশীষ চক্রবর্তী শিপন জানান,সময়মত যদি ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছাত তাহলে এই গরীব মানুষের এত বড় ক্ষতি হতো না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ ফারুক আহমেদ জানান,আমরা ট্রিপল নাইনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সময় যাওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু রাস্তায় যানজট আর রাস্তা ভাংগনের কারণে আমরা সময়মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারিনি। আমরা দীর্ঘদিন থেকেই ছোট যানবাহনের সংকটে ভুগছি। ছোট যানবাহন থাকলে আমরা সময়মত যে কোন যায়গায় সাথে সাথে পৌঁছাতে পারতাম।