১০ :৩৯ অপরাহ্ণ
ঘাতক আটক
নেশা করতে দেখে ফেলায় কমলগঞ্জে ভাতিজাসহ তিন জনকে ছু:রিকা'ঘাত, বাঁচাতে গেলে নারীকে খু'ন!
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় মাদক সেবন করতে দেখে ফেলায় ভাতিজাকে ছু'রিকা'ঘাত এবং তাকে বাঁচাতে গিয়ে বকুল বেগম (৫৫) নামে এক নারী হ'ত্যার শিকার হয়েছেন।
এ ঘটনায় তার ভাতিজাসহ আমিনুল ইসলাম (২৩) ও ওদুদ আহমেদ (৩০) নামের আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক হেলিম মিয়াকে (৪৫) আট'ক করেছে।
ঘাতক হেলিম মিয়া ওই গ্রামের মৃত আশিক মিয়ার ছেলে। স্থানীয় ও নিহতের স্বজনরা জানান, চাচা হেলিম মিয়াকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দেখে ফেলেন তার ভাতিজা সাইদুল ইসলাম (২৫)। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বুধবার দুপুরে হেলিম তার ভাতিজাকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করেন।
রক্তাক্ত অবস্থায় প্রাণ বাঁচাতে সাইদুল দৌড়ে পাশের বাড়ির বকুল বেগমের ঘরে আশ্রয় নেন। ঘাতক হেলিম মিয়া তার পিছু ধাওয়া করে ওই বাড়িতে ঢুকে সাইদুলকে পুনরায় ছুরিকাঘাত করতে থাকেন। এ সময় গৃহবধু বকুল বেগম তাকে বাধা দিতে গেলে হেলিম তাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত (স্টেপিং) শুরু করেন।
এতে ঘটনাস্থলেই বকুল বেগম মারা যান। চিৎকার শুনে সাইদুলের ভাই আমিনুল ইসলাম এবং বকুল বেগমের জামাতা ওয়াদুদ মিয়া এগিয়ে গেলে হেলিম তাদের ওপরও হামলা চালায়। এতে তারা দুজনই গুরুতর জখম হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে প্রেরণ করেন। খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক হেলিম মিয়াকে আটক করে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো.আব্দুল আউয়াল বলেন,নেশা করতে দেখে ফেলায় ক্ষিপ্ত হয়ে ঘাতক এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আমরা ঘাতক হেলিম মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছি। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।