অধ্যাপক শেখ মো. আব্দুর রশীদ::
১২:২৮ অপরাহ্ণ
পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখুন: অধ্যাপক শেখ মো. আব্দুর রশীদ
দিনটি ছিল ২ ৭১৩ সালের ২০ মার্চ ভোর ৪.৩০ মিনিট। মহাকাশ ভ্রমণের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত মহাকাশ যানটির দিকে পৃথিবীর ২ হাজার কোটি মানুষের চোখ নিবন্ধ ছিল। গুডুমমম.. শব্দ আর ধোয়ার কুন্ডুলী ছাড়া সাধারণ চোখগুলো কিছুই দেখলো না। ৩-২-১-০ কাউন্ট ডাউন করতেই সেকেন্ডেরও কম সময়ে সৌরজগতের সবগুলো গ্রহ-নক্ষত্র বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, সূর্যকে ছাড়িয়ে মহাকাশপানে ছুটছে মহাকাশযানটি।
পৃথিবীর হাজারো মহাকাশ বিজ্ঞানী তাদের শক্তিশালী টেলিস্কোপ দ্বারা মহাকাশযানটিকে আমাদের সবচেয়ে কাছের ছায়াপথ এন্ড্রমিডা অতিক্রম করা পর্যন্ত সেকেন্ডেরও কম সময় দেখতে পেয়েছেন।
বিশ্বব্রহ্মান্ডের ট্রিলিয়ন গ্যালাক্সির মধ্যেকার একটি নক্ষত্র হচ্ছে আলফা সেঞ্চুরি। যেটি পৃথিবী থেকে চার বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে। এক মিলিয়ন হচ্ছে দশ লক্ষ আর এক বিলিয়ন হচ্ছে একশ কোটি।
আলোর গতি সেকেন্ডে তিনশ হাজার বা তিন লক্ষ কিলোমিটার, এভাবে এক বছর ধরে চলতে থাকলে যে দূরত্ব হয় তা হচ্ছে এক আলোকবর্ষ।
মহাবিশ্বে বা বিশ্বব্রহ্মান্ডে বিলিয়ন বিলিয়ন নক্ষত্র নিয়ে তৈরি হয় একটি গ্যালাক্সি, আর এই বিশ্বব্রহ্মান্ডের একটি ক্ষুদ্র গ্রহ হচ্ছে পৃথিবী। একমাত্র এই পৃথিবীতে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে এবং এই প্রাণীজগতের শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ।
মহাকাশযানটি ৮ ঘন্টা বিশ মিনিটে পৃথিবী থেকে ৪ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে আলফা সেঞ্চুরিতে এসে পৌঁছালো।
এ যাত্রার টিম লিডার ছিলেন তাজিম। তার সাথে তার বড় বোন ডা. নাদিরা নুসরাত, আরও ছিলেন তাওসিফ, নাফি, রাদিয়াত ও আশরাফ । উদ্দেশ্য পৃথিবী গ্রহের বাইরে মানুষের বসবাসের জায়গা খোঁজা। আলফা সেঞ্চুরিতে পৌঁছার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ রাদিয়াতকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। ১০/১৫ মিনিট এদিক সেদিক খোঁজা খোঁজি করে না পেয়ে তারা বৈঠকে বসলেন কি করা যায়। পৃথিবীতে রাদিয়াতের বাবা মাকে জানানো হবে কিনা বিষয়টি, তারা ভাবতে শুরু করলেন।
সিদ্ধান্ত হলো জানানো হবে, তবে তার আগে মহাবিশ্বের অন্যান্য গ্রহ নক্ষত্রের বিভিন্ন স্টেশনে তথ্য পাঠিয়ে দেয়া যাতে বোঝা যায় আলফা সেঞ্চুরির বাইরে কোথাও সে চলে গিয়েছে কিনা। মহা বিশ্বের সকল স্টেশনে খবর পাঠানো হল। ইতিমধ্যে আলফা সেঞ্চুরির ভ্রমণ গাইড সেখানে চলে এসেছেন। তিনি সবকিছু অবহিত হয়ে বললেন, বিভিন্ন স্টেশনে যেহেতু তথ্য পাঠানো হয়েছে অসুবিধে নেই আমরা অপেক্ষা করি নিজেরা পরিচিত হয়ে নিই।
পরিচয় পর্বে টিম লিডার তাজিম আলফা সেঞ্চুরির গাইডকে পৃথিবীতে তার দেশের অবস্থান এবং মহাবিশ্বে পৃথিবীর অবস্থান কোথায় তার একটা ধারনা দিলেন।
গাইড বললেন পৃথিবী সম্পর্কে আমরা যারা আলফা সেঞ্চুরিতে বাস করছি আমাদের কিছু ধারনা আছে। মহাবিশ্বে বা বিশ্বব্রহ্মান্ডে মানুষই শ্রেষ্ঠ জীব। কারণ মানুষ চিন্তা করতে পারে, নতুন কিছু আবিষ্কার করতে পারে। এই যে তোমরা এসেছো ৪ বিলিয়ন আলোকবর্ষ পথ পাড়ি দিয়ে তা আমরা পারি না। নতুন কিছু চিন্তা করা বা আবিষ্কার করার ক্ষমতা আমাদের নেই। তোমরা মানুষের মধ্যে হিংসা, স্বার্থ, লোভ-লালসা মানবিকতা এসব কিছু বিষয় আছে, আমাদের মধ্যে এসব বিষয়ে কোন ধারনা নেই।
এই বিষয়টা তোমাদের পৃথিবীর মানুষের খুব ভালো করে জানা ছিল যে, মহাবিশ্বে বা বিশ্বব্রহ্মান্ডে মানুষের জন্যে বসবাসের উপযোগী একমাত্র
পৃথিবী -ই। তোমাদের এই জানাকে আমলে না নিয়ে নিজেদের স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়েছো। ফলশ্রুতিতে পৃথিবীর আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন, ভূমণ্ডলীয় উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে পৃথিবী এখন অনেকটা তোমাদের বসবাসের 'অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে। তোমরা পৃথিবীর পুরো মানবজাতি এক পরিবার। যেমন-আমরা আলফা সেঞ্চুরিতে যারা থাকি আমরা এক পরিবার। বসবাসের সুবিধার্থে তোমরা পৃথিবীকে দেশে দেশে ভাগ করেছো। তোমরা পৃথিবীতে যে এক পরিবার বিষয়টা ভুলে গিয়ে নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের একটা মানসিকতা তোমাদের মধ্যে রয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে তোমরা তোমাদের পৃথিবীতে বিপর্যয় নিয়ে এসেছো।
দীর্ঘ সময় এক নাগাড়ে কথা বলে গাইড একটু দম নিলেন। তারপর আবার কথা বলতে শুরু করলেন-তার আগে আরো একটা কথা বলি সেটা হচ্ছে, তোমরা আমাদের গ্রহে এসেছো বাসযোগ্য জায়গা খুঁজতে, এতে কোন লাভ নেই। কারয প্রথমত আমাদের আলফা সেঞ্চুরিতে সবসময় দিন, আলো আর আলো। কারণ আমাদের সবদিকে নক্ষত্র। দিন রাতে কোন আবর্তন হয় না। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রথম যে প্রয়োজন সেটা আমাদের এখানে নেই। এরপর ফসল, ফল-ফলাদিও উৎপন্ন হওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই।
স্টিফেন হকিং তোমাদের পৃথিবীর বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি কিন্তু মৃত্যুর আগে পৃথিবীর ভবিষ্যত সম্পর্কে ২০১৭ সালের নভেম্বরে চীনের বেইজিংয়ে টেনসেন্ট ডব্লিউ শীর্ষ সম্মেলনে ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন-৬০০ বছরের মধ্যেই পৃথিবীর অস্তিত্ব হারিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। ৬০০ বছরে পৃথিবী এতটাই উষ্ণ হয়ে উঠবে যে পৃথিবী বদলে যাবে অগ্নিপিন্ডে। কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন যে দ্রুত জন বিস্ফোরণের জন্য শক্তির ব্যবহার বাড়ছে, তার জেরে বাড়বে উষ্ণায়নের মাত্রা। তার ফলে পৃথিবী গ্রহ পুরোমাত্রায় অগ্নিপিন্ডে পরিণত হয়ে আর বাসযোগ্য থাকবে না।
তোমরা নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার করতে যেয়ে মারণাস্ত্র তৈরি করেছো। তোমরা তৈরি করেছো পারমানবিক বা এটম বোমা, হাইড্রোজেন বোমা ইত্যাদি। ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে তোমরা পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছো। যে বোমার আঘাতে তাৎক্ষণিক মারা পড়েছিল প্রায় দুই লক্ষ মানুষ, হতাহত হয়েছিলো লক্ষ লক্ষ এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছিলো শত বছর।
উষ্ণতার ফলে মানুষের মৃত্যু কেন হয় তার কারণ সঠিকভাবে না জানলেও শরীরের উত্তাপ বেড়ে গেলে তা কমানোর জন্য রক্ত ত্বকের নীচে দিয়ে বেশি করে প্রবাহিত হয়। ফলে পেটে অস্ত্রে প্রয়োজনীয় রক্ত সরবরাহ কমে যায়। অস্ত্রের ক্ষতিগ্রন্থ অংশ থেকে ব্যাকটেরিয়াজনিত বিষাক্ত পদার্থ নিঃসৃত হয়ে রক্তপ্রবাহের সাথে মিশে যায় এবং এটাই পরবর্তিতে অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি সাধন করে।
শুষ্ক আবহাওয়াতে ত্বক ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপ সহ্য করতে পারে। কিন্তু যদি জলবায়ুতে
আর্দ্রতা থাকে তাহলে এই সহ্য ক্ষমতা কমে যায়। তখন মানুষের ত্বক ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপ সহ্য করতে পারে না। অতএব মানুষের জানা ছিল যে অবশ্যই এই ক্রমবর্ধমান উষ্ণতাকে রোধ করতে হবে।
অক্সিজেন মানুষকে যেমন বাঁচিয়ে রাখে তেমনি এর একটি অংশ ওজোন স্তর তৈরি করে অতিবেগুনি রশ্মি থেকে মানুষ ও প্রাণিজগতকে রক্ষা করে। অথচ অক্সিজেনের সিংহভাগ আসে গাছ থেকে। তোমরা মানুষরা গাছ কেটে উজাড় করেছো। প্রকৃতি কিন্তু পৃথিবীকে বাসযোগ্য করার জন্য এরকম নানা ধরনের প্রত্রিনয়া করে রেখেছে এবং লক্ষ লক্ষ বছর ধরে সেটা এই পৃথিবীতে চলে আসছে। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ যত্ন করে গড়া এই সমতাকে নষ্ট করে ফেলেছে। সাধের পৃথিবীর তাহলে। লে কী সময় ফুরিয়ে আসছে? পৃথিবী কি তাহলে মানব শূন্য হতে যাচ্ছে? পৃথিবীর বাইরে কোথাও মানুষের জায়গা হবে না, পৃথিবীর মানুষ কল্পনায়ও সেটা ভাবেনি।
একটা আশা ছিল মহাবিশ্বের কোথাও হয়তো মানুষের বসবাসের উপযোগী একটা গ্রহ বা জায়গা পাওয়া যাবে তাতো হলোনা। তাহলে মানুষের লক্ষ লক্ষ বছর ধরে তিল তিল করে গড়া, এত সুন্দর এই পৃথিবীর পরিসমাপ্তি? এই বিশাল বিশাল অট্টালিকা, নদীপথ, সড়ক পথ, বিমান পথ গবেষণাগার।
বিশাল বিশাল জাহাজ বিমান সব পড়ে রইবে আর নেই নেই শুধু মানুষ। মানবশূন্য প পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে ভাবতেই ভাবনার জগতটা একটা অসহনীয় যন্ত্রনায় কাতরাতে থাকে। ভাবতে ভাবতে তন্ময় হয়ে চিন্তার এক সীমাহীন অতলে হারিয়ে যায় তাজিম। আহারে এত সুন্দর একটা পৃথিবী বিধাতা দিলেন আর আমরা শেষ করে দিলাম? অনেক ঋণ। অনেক ক্ষণ পর হঠাৎ মোবাইলের ম্যাসেজ রিংটোন বাজতেই সম্বিত ফিরে আসে। রাদিয়াতকে ডেল্টা নক্ষত্রে পাওয়া গেছে।
কয়েক মিনিটের মধ্যেই সে পৌঁছে যাবে। ক্ষণিক একটা আনন্দানুভূতি সবার মধ্যে খেলে যায়। রাদিয়াত চলে এসেছে। সবাই প্রস্তুত হও পৃথিবীতে দ্রুত যেতে হবে। পৃথিবীতে গরমের সাথে যুদ্ধ করে মরতে নয় পৃথিবীকে রক্ষায় যুদ্ধ করে মরার শপথ নিয়ে পৃথিবীর দিকে তারা যাত্রা শুরু করে।
পৃথিবীর সকল দেশের নেতৃস্থানীয়দের ম্যাসেজ পাঠানো হয় যে জরুরী বৈঠক সবাই পৃথিবীর মহাশূন্য স্টেশনে চলে আসুন। অক্সিজেন মানুষকে যেমন বাঁচিয়ে রাখে তেমনি এর একটি অংশ ওজোন স্তর তৈরি করে অতিবেগুনি রশ্মি থেকে মানুষ ও প্রাণিজগতকে রক্ষা করে। অথচ অক্সিজেনের সিংহভাগ আসে গাছ থেকে। তোমরা মানুষরা গাছ কেটে উজাড় করেছো। প্রকৃতি কিন্তু পৃথিবীকে বাসযোগ্য করার জন্য এরকম নানা ধরনের প্রত্রিনয়া করে রেখেছে এবং লক্ষ লক্ষ বছর ধরে সেটা এই পৃথিবীতে চলে আসছে। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ যত্ন করে গড়া এই সমতাকে নষ্ট করে ফেলেছে। সাধের পৃথিবীর তাহলে। লে কী সময় ফুরিয়ে আসছে? পৃথিবী কি তাহলে মানব শূন্য হতে যাচ্ছে? পৃথিবীর বাইরে কোথাও মানুষের জায়গা হবে না, পৃথিবীর মানুষ কল্পনায়ও সেটা ভাবেনি।
একটা আশা ছিল মহাবিশ্বের কোথাও হয়তো মানুষের বসবাসের উপযোগী একটা গ্রহ বা জায়গা পাওয়া যাবে তাতো হলোনা। তাহলে মানুষের লক্ষ লক্ষ বছর ধরে তিল তিল করে গড়া, এত সুন্দর এই পৃথিবীর পরিসমাপ্তি? এই বিশাল বিশাল অট্টালিকা, নদীপথ, সড়ক পথ, বিমান পথ গবেষণাগার। বিশাল বিশাল জাহাজ বিমান সব পড়ে রইবে আর নেই নেই শুধু মানুষ।
মানবশূন্য প পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে ভাবতেই ভাবনার জগতটা একটা অসহনীয় যন্ত্রনায় কাতরাতে থাকে। ভাবতে ভাবতে তন্ময় হয়ে চিন্তার এক সীমাহীন অতলে হারিয়ে যায় তাজিম। আহারে এত সুন্দর একটা পৃথিবী বিধাতা দিলেন আর আমরা শেষ করে দিলাম? অনেক ঋণ। অনেক ক্ষণ পর হঠাৎ মোবাইলের ম্যাসেজ রিংটোন বাজতেই সম্বিত ফিরে আসে। রাদিয়াতকে ডেল্টা নক্ষত্রে পাওয়া গেছে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সে পৌঁছে যাবে। ক্ষণিক একটা আনন্দানুভূতি সবার মধ্যে খেলে যায়। রাদিয়াত চলে এসেছে। সবাই প্রস্তুত হও পৃথিবীতে দ্রুত যেতে হবে। পৃথিবীতে গরমের সাথে যুদ্ধ করে মরতে নয় পৃথিবীকে রক্ষায় যুদ্ধ করে মরার শপথ নিয়ে পৃথিবীর দিকে তারা যাত্রা শুরু করে।
পৃথিবীর সকল দেশের নেতৃস্থানীয়দের ম্যাসেজ পাঠানো হয় যে জরুরী বৈঠক সবাই পৃথিবীর মহাশূন্য স্টেশনে চলে আসুন।
লেখক: লেখক :অধ্যাপক শেখ আব্দুর রশিদ
বিভাগীয় প্রধান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, লতিফা শফি ডিগ্রী কলেজ।
চেয়ারম্যান: সিফডিয়া
মোমেন্টিয়ার (ডিরেক্টর) কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আম্বরখানা শাখা।
ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন
কুলাউড়ায় বাড়ির পাশের ডোবাই প্রাণ গেল তিন শি'শুর!
দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের নির্বাচন ২ মে, তফসিল ঘোষণা
সিলেটে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: তৃণমূলে খেলাধুলা ছড়িয়ে…
সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে অপ'প্রচারের অভি'যোগ
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন
প্রযুক্তির ফাঁ'দে ধরা পড়লো জুনায়েদ হ'ত্যার দুই আ'সামি
বাড়ি থেকে ৪০ কেজি ওজনের অজগর রাতে উদ্ধার,রাতেই…
শ্রীমঙ্গলে বিপন্ন প্রজাতির তক্ষক ও ভুবন চিল উদ্ধার
বর্ণাঢ্য ৪২ বছরের শিক্ষকতা জীবনের সফল সমাপ্তি টানলেন…
উপবন এক্সপ্রেসে আ'গুন: বিকল্প ইঞ্জিনে উদ্ধার, তিন ঘণ্টা…
চলন্ত উপবন এক্সপ্রেসে অ'গ্নিকাণ্ড: সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেলযোগাযোগ…
মাইক্রোবাস–সিএনজি মুখোমুখি সং'ঘর্ষে নি'হত-২,গুরুতর আ'হত ৩
৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
৪ বছর পর সিংহাসন হারালেন গোলাম কিবরিয়া !
ছাতকের গ্রামের বাড়ীতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন শহীদ ডাঃ…
বন্যায় বিপাকে শাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী
সিলেট আসা লন্ডনীরা ৫ ঘন্টা ধরে বাসে
স্টুডেন্ট ভিসা সুখবর নয়, বিপদ
রায়হানের পরিবারের পাশে খন্দকার মুক্তাদির
সিলেটে ২৫ বছর পর হারানো ভূমি ফিরে পেল…
ব্যারিস্টার সুমন ও ইশরাতকে জরিমানা
সিলেটে আসছেন সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডা: বিলকিস ফাতেমা
কবর থেকে লাশ তোলা হবে রায়হানের
সিলেটে আলোচনার কেন্দ্র আজাদ-রণজিৎ
আমাদের ফেসবুক পেইজ