১১:২৫ পূর্বাহ্ণ
হোটেল শ্রমিক নেতা আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণ সভা
সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে হোটেল শ্রমিক নেতা আবুল কালাম আজাদের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় সিলেট নগরীর সংগঠনের জেলা কার্যালয়ে এই স্মরণ সভা হয়। এর পূর্বে রাত ১২টা ১ মিনেটের সময় শ্রমিক নেতা আবুল কালাম আজাদের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয় এবং সভার শুরুতে এক মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।
সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম. সফর আলী খানের পরিচালনায় স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা এস. এম. নুরুল হুদা সালেহ, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহেদ আহমদ, সিলেট জেলা মটর ওয়ার্কশপ মেকানিক শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. বাবলু হোসেন হৃদয়, জেলা শাখার সহ সভাপতি ইউসুফ জামিল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হারুনুর রশীদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. বশির আহমদ, জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক আকিল হোসেন, মহানগর শাখার প্রচার সম্পাদক মো. আল আমিন, দপ্তর সম্পাদক মো. ছলিম আহমদ, যুগ্ম ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. নিরব আহমদ, শাহপরান থানার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হেলাল আহমদ, আবুল মিয়া, শাহপরান থানা শাখার দপ্তর সম্পাদক মুজিব আহমদ, চাইনিজ রেস্টুরেন্ট শাখার যুগ্ম সম্পাদক মো. আল আমিন, আব্দুল কুদ্দুস, মো. সালেহ, রতন আহমদ, তোফায়েল, আব্দুস সালাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন ক্বারী মো. আল আমিন।
স্মরণ সভায় বক্তরা বলেন, আবুল কালাম আজাদ সব সময় শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের নিরলস ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ছিলেন একজন আপোষহীন শ্রমিক নেতা। তার আদর্শ ও নীতি অনুস্মরণ করে বর্তমানে শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা বেতন-ভাতাদি কিছুটা হলেও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বক্তারা হোটেল সেক্টরে নিম্নতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ঘোষণা ও তা কার্যকরের জন্য স্মরণ সভা থেকে দাবি জানানো হয়। ২০১৭ সালের ১লা মার্চে সরকার ঘোষণা করলেও এখন পর্যন্ত নিম্নতম মজুরির গেজেট বাজার মূল্যের সাথে সংগতি রেখে পুঃনির্ধারন করা হয়নি। যা শ্রমিকদের জন্য অকল্যাণকর। বক্তারা আরো জানান, যত দ্রুত সম্ভব হোটেল শ্রমিকদের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে সিলেটে একটি পূর্ণাঙ্গ শ্রম আদালত চালু করতে হবে।