১২:০ ৫ অপরাহ্ণ
কমলগঞ্জে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষের ৩ দিন পর মারা গেলো এক যুবক
আসহাবুজ্জামান শাওন, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:: মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনার বলি হয়ে অকালে সম্ভাবনাময়ী এক যুবক তিন দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলো। সিএনজি চালকদের অদক্ষতা,যত্রতত্র পার্কিং এবং উঠতি বয়সী তরুণ,যুবকদের বেপরোয়াভাবে সিএনজি চালানো আজকাল স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ বিভিন্ন এলাকা। যার কারণে সড়ক দূর্ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক স্বাভাবিক ব্যপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অদক্ষ সিএনজি চালকদের কারণে, উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক দূর্ঘটনা ঘটে চলেছে। আর এ সকল দূর্ঘটনার শিকার হয়ে কেউ পরপারে কেউবা চির পংগুত্ব বরণ করছেন। ছাত্রলীগ কর্মী সুমন সিএনজি চাপায় নিহত হওয়ার এক বছর না পেরুতেই আবারো উপজেলা চৌমুহনীর মৌলভীবাজার সড়কে গত সোমবার দুপুরে সিএনজি ধাক্কায় মৌলভীবাজার থেকে আদমপুরের কোণাগাঁও গ্রামে ফেরার পথে রাসেল আহমেদ গাছের উপর আঁচড়ে পড়ে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তাকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখান তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে তার অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাকে দ্রুত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় ইনভার্সেল হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষনে থাকা অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে রোমান হৃদয় রাসেল অবশেষে মৃতূর কাছে হার মেনে চলে গেলো পরপারে।
জানা যায়, রোমার হৃদয় রাসেল ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া সত্বেও তিনি প্রবাসী ভগ্নিপতির বাড়ি কোনাগাঁও থাকেন।
নিহত রাসেলের বড় বোন মৌসুমি রেখা উর্মী জানান, আমার স্বামী জাকির হোসেন লন্ডনে ও আমি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে কাজ করার দরুন ঢাকায় থাকি। তাই আমার স্বামীতে কেউ না থাকায় আমার ছোট আমাদের বাগান বাড়ি দেখবাল করতো। কিছু দিন হলো আমি স্বামীর বাড়ি এসেছিলাম। আমি ঢাকায় ফিরে যাবো তাই আমার ছোট ভাই মৌলভীবাজার গাড়ির টিকেটের ব্যবস্থা করতে। বাড়ি ফেরার পথে বেপরোয়া সিএনজির চাপায় আমার ভাই গুরুতর আহত হয়।