শনিবার, এপ্রিল ১৮, ২০ ২৬
স্টাফ রিপোর্ট::
১৪ জুলাই ২০ ১৩
৬:৫১ অপরাহ্ণ

বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে পুলিশী তল্লাশি-হয়রানি: সিলেট জেলা বিএনপির নিন্দা ও প্রতিবাদ

যুক্তরাজ্য প্রবাসী ও সিলেট জেলা বিএনপি নেতা, বিশ্বনাথের ২নং খাজাঞ্চী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী ও সিলেট জেলা বিএনপি নেতা, বিশ্বনাথের ২নং খাজাঞ্চী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে বার বার পুলিশী তল্লাশি, পরিবারের সদস্যদের হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিএনপি নেতা মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের মাতা ফাতেমা বেগম (৭৫), জানান, পুলিশ আমার বাড়িতে আসে, আমাকে জিজ্ঞাসে করে আমার ছেলে কোথায়, তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি ওয়ারেন্ট রয়েছে, আমরা থাকে গ্রেফতার করতে এসেছি। পুলিশ আমার ঘর তল্লাশি করে চয়ে যায়। কয়েক দিন পর পর আবার আমার বাড়িতে পুলিশ এসে ঘর তল্লাশি করে, ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং গালি-গালি করে।

পুলিশ আমাকে হুমকি দিয়ে বলে আমার চেলেকে তাদের কাছে হস্তান্তর করে অন্যতায় পরিবারের সদস্যদের মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হবে বলে হুমকি প্রদান করে।

এদিকে সিলেট জেলা বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি, পরিবারের সদস্যদের হয়রানির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সিলেট জেলা বিএনপি।

গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে ১৪জুলাই(২০১৩ ইং) সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীম ও সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ বলেন, সিলেট জুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর হামলা, মামলা, গুম, খুন করে যাচ্ছে শেখ হাসিনার সরকার। সিলেট জেলা সহ বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছ।

রাতে আধারে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ তল্লাশির নামে পরিবারের সদস্যদের হয়রানি, হুমকি, ঘর-বাড়ির আসবাপত্র ভাংচুর করে যাচ্ছে। আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীরা পুলিশের সাথে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা ভাংচুর, মালামাল লু্ট করে নিয়ে যাচ্ছে। সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, হামলা, মামলা,গুম, খুন করে বিএনপিকে ধ্বংস করা যাবে না। আওয়ামীলীগ ও পুলিশলীগের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

অভিযোগ সূত্রে জানান যায়, গত ২৮ জুন ২০১৩ ইং তারিখে বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশ বিরোধী দল বিএনপির দেশব্যাপী হরতালের ডাক দেয়। হরতাল দ্বিতীয় দিন ২৪ এপ্রিল এম ইলিয়াস আলীর জন্মস্থান বিশ্বনাথ উপজেলায় পুলিশের ও আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের সাথে ব্যাপক সংঘর্ষে দুজন বিএনপিকর্মী নিহত ও হাজার হাজার নেতাকর্মী আহত হন।

এ ঘটনায় বিশ্বনাথ থানার এসআই দেবদুলাল বাদি হয়ে ১২০ জনের নাম উল্লেখ আরও ৪০০/৫০০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। বিশ্বনাথ থানা মামলা নং-৮৪/২০১২। এই মামলায় বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলামকে ৯ নং আসামি করা হয়। সিরাজুল ইসলাম বিশ্বনাথ উপজেলার ২নং খাজাঞ্চী ইউনিয়নের করমকুলাপ্রতি গ্রামের ইনতিয়াজ আলীর ছেলে।

এ বিষয়ে বিশ্বনাথ থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, পলাতক আসামি সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে। সিরাজকে গ্রেফতার করতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। থানা পুলিশ তার বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ