বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০ ২৬
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি::
৩ জুলাই ২০ ২৪
৬:০ ৭ অপরাহ্ণ

কোটা পুনর্বহালের দাবিতে শাবিপ্রবিতে বি.ক্ষো.ভ

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৩০শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ ৫৬শতাংশ কোটা পুনর্বহালে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শ্বিবিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৩ জুলাই) শিক্ষার্থীরা বেলা ১১টা থেকে একে একে জড়ো হয় গোল চত্বরে। পরবর্তীতে বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারো গোল চত্বরে এসে সমবেশে মিলিত হয়।

কোটা বৈষম্যবিরোধী এই বিক্ষোভ মিছিলে বিভিন্ন ধরণের স্লোগানে উত্তাল হয়ে পড়ে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস। ‘কোটা না মেধা?’ ‘মেধা মেধা, হাইকোর্টের রায় মানি না মানব না’, ‘কোটা বাতিল কর, বাতিল কর’, ‘ছাত্রসমাজ গড়বে দেশ, মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ কোটা দিয়ে কামলা নয়, মেধা দিয়ে আমলা চাই, এমন নানা রকম স্লোগানসহ এই কোটা প্রথা বাতিলের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী নাইম বলেন, ২০১৮ সালে সারা দেশের শিক্ষার্থীরা চাকরিতে অন্যায্য ও অযোক্তিক কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল।

তার প্রেক্ষিতে ঐ বছরের ৪ অক্টোবর নবম থেকে ১৩তম গ্রেডে কোটা বাতিল করে মেধাভিত্তিক কোটা চালু করেন। কিন্তু অত্যন্ত হতাশার বিষয় গত ৫ মে মহামান্য হাইকোর্ট সরকারি চাকরিতে কোটা পূণর্বহালের রায় দিয়েছেন।

হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সাথে প্রহসন মনে করি। আমরা শাবি শিক্ষার্থীরা সারা দেশের শিক্ষার্থীদের চলমান কোটা বিরোধী আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করছি।

আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত এই আন্দোলন চালিয়ে যাব। অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজ বলেন, ১৯৭১ সালে বৈষম্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমরা যে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। সেই দেশে, এই বৈষম্যমূলক কোটা অযৌক্তিক।

মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় প্রজন্মকে কোটার সুবিধা দিয়ে স্বাধীন দেশে মুক্তিযুদ্ধাদের লাঞ্চিত করা হচ্ছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে পশ্চিম পাকিস্তানীরা আমাদের উপর কোটা প্রথা চাপিয়ে দিয়েছিল বিভিন্ন সরকারি খাতে।

যুদ্ধ শেষ হয়ে অর্ধ শতক পেরিয়েছে, আমরা স্বাধীন হয়েছি কিন্তু এখনো সেই কোটা প্রথা শেষ হলো না। স্বাধীন দেশে কোটা দিয়ে মানুষের পার্থক্য না করে সরকারের উচিত কোটামুক্ত দেশ গড়া। আমাদের দাবি ২০১৮ সালের পরিপত্র পূণর্বহাল করে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ কোটা বাতিল করা হোক।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ