রবিবার, মে ৩১, ২০ ২৬
ড্রীম সিলেট ডেস্ক
২৮ জুলাই ২০ ২০
৩:৫৬ অপরাহ্ণ

প্রিয়নবী সা.’র ঈদ উদযাপন: আতিকুর রহমান নগরী

ঈদ অর্থ আনন্দ, খুশি,উল্লাস। মুসলিম উম্মাহর দুটি খুশির দিন রয়েছে। ঈদুল ফিতর আর ঈদুল আজহা। এ দু’টি দিবসই অত্যন্ত মর্যাদাশীল ও আনন্দময় । একমাস সিয়াম সাধনার পর আসে কাঙ্খিত ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য খুশির সওগাত নিয়ে। দীর্ঘ এক মাসের সংযম সাধনার শেষে সেই আনন্দময় উৎসব ঈদুল ফিতর সমাগত। ঈদ পবিত্র, ঈদ খুশির, ঈদ আনন্দের, ঈদ ক্ষমার, ঈদ প্রার্থনার। সব ভেদাভেদ ভুলে একে অপরকে বুকে জড়ানোর দিন; সাম্য, সৌহার্দ্য, ভালোবাসা, মিলনের দিন। এবার আমাদের ঘোরদুয়ারে হাজির হতে চলেছে ঈদুল আযহা। ইবরাহিমী ত্যাগে উজ্জিবীত হওয়ার পূর্ণ মনবাসনা নিয়ে অত্যন্ত অনন্দচিত্ত্বে আজ মুসলমানরা পশু কিনছে। তাদের এ আনন্দ বিশ্ববাসিকে জানান দিচ্ছে পশু নয়, চাই মনের ভেতরটার লুকিয়ে থাকা পশুত্বের কোরবানী।

ঈদের প্রকৃত অর্থ কি?

শুধু দামী পোশাক, রঙ্গিন জামা, হরেক রকম সুস্বাদু  খাবার আর নানা ধরণের আনন্দ-উৎসবের নাম ঈদ নয়। আর ধনী গরিবের এক কাতারে নামাজই শুধু নয় তাদের মধ্যে বৈষম্য কমিয়ে আনাও ঈদের উদ্দেশ্য। ঈদের উদ্দেশ্য কি তা আল্লাহ তা’আলা নিন্মোক্ত আয়াতের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন ‘‘আর যেন তোমরা নির্ধারিত সংখ্যা পূরণ করতে পার এবং তোমাদেরকে যে সুপথ দেখিয়েছেন, তার জন্যে তোমরা আল্লাহর মমত্ব-বড়ত্ব প্রকাশ কর এবং তাঁর কৃতজ্ঞ হও।” (সূরা বাকারাঃ ১৮৫) এই আয়াত থেকে প্রমাণিত হচ্ছে, ঈদের উদ্দেশ্য হল দুটি: ১. আল্লাহর বড়ত্ব মমত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করা। ২. আল্লাহ যে নেয়ামত দান করেছেন তার জন্য আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করা।

ঈদের প্রচলন :

মুলত ঈদ ইসলামপূর্ব যূগেও বিভিন্ন জাতি বিভিন্নভাবে পালন করতো যা আমরা কুরআন-হাদিস ও ইতিহাস থেকে জানতে পারি। তবে সেগুলো সবই ছিল শুধু মাত্র আনন্দ-ফুর্তি আর খেলাধুলা। যেমনটি আবু দাউদ শরিফের বর্ণনায় এসেছে- মদীনায় যাওয়ার পর নবীজি সা. দেখলেন, সেখানকার লোকজন দুটি দিনকে উদযাপন করে খেলাধুলার মধ্য দিয়ে। নবীজি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, এ দুদিনের কী তাৎপর্য আছে? তারা বললো, আমরা জাহেলী যুগে এ দু দিনে খেলাধুলা করতাম। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ রাববুল আলামিন এ দু দিনের পরিবর্তে তোমাদের এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ দুটি দিন দিয়েছেন। যা হল ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতর। শুধু খেলাধুলা, আমোদ-ফুর্তির জন্য যে দু’টো দিন ছিল আল্লাহ তায়ালা তা পরিবর্তন করে এমন দু’টো দিন দান করলেন যে দিনে আল্লাহর শুকরিয়া, তাঁর জিকির, তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সাথে সাথে পরিমিত আমোদ-ফুর্তি, সাজ-সজ্জা, খাওয়া-দাওয়া করা হবে। হযরত ইবনে জারীর রা.’র বর্ণনা মতে, দ্বিতীয় হিজরিতে রাসূলুল্লাহ সা, প্রথম ঈদ পালন করেছেন। ঈদ আমাদের জন্য আল্লাহ রাব্বুলআ’লামিন প্রদত্ত বিরাট নিয়ামতের দিন। ইসলামী দিক নির্দেশনা অনুযায়ী যদি আমরা  ঈদ ঊদযাপন করি তবে একদিকে যেমন ঈদের অনাবিল আনন্দে ভরে উঠবে আমাদের পার্থিব জীবন অন্যদিকে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে ধন্য হবে আমাদের পরকালীন যিন্দেগী। কিন্তু ঈদ উৎসবটির সত্যিকার তাৎপর্য যদি বুঝতে হয়, তাহলে সবচেয়ে ুনির্ভরযোগ

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ