৬:৩৬ অপরাহ্ণ
দক্ষিণ সুরমার রেলগেইট পয়েন্টে নিত্যদিনের তী'ব্র যানজট!
সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমা পুরাতন রেলগেইট মারকাজ পয়েন্টে নিয়মে বহিভূত সডকে ব্যবহার ও যতাযত গাডি পাকিং কারণে যানজট ও জনদুর্ভোগ নিত্যদিনের কারন । নিয়মিত ট্রাফিক আইন অমান্য করে যত্রতত্র যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখায় এই এলাকায় প্রতিদিন ২ ঘণ্টা খানিক পর্যন্ত তীব্র যানজট দেখা দেয়। কোনো দিন এ যানজটের সময় আরও বেড়ে যায়।
বিষয়টি সডকে চলাচল কারি মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে,তবে সংশ্লিষ্ট পরিবহন দুরপাল্লার বাস ও ট্রাক নগরীর পুলের পুখ ও ষ্টেশন সডকে দূরপাল্লার বাস ও ট্রাক পুরাতন রেলগেইট মারকাজ পয়েন্টে দিয়ে যাতায়তের কারন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করেছেন কর্তৃপক্ষ উদাসীন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,রেলগেইট মারকাজ পয়েন্টে এলাকা নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ। প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ এ সড়ক দিয়ে সিলেট শহরে প্রবেশ করেন। অধিকাংশ যানবাহন কাজিরবাজার ব্রিজ ব্যবহার করলেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক গাড়ি স্টেশন রোড ও রেলওয়ে এপ্রোচ রোড দিয়ে শহরে কদমতলী বাস টারমিনালে প্রবেশ করে।
পুরাতন স্টেশনে প্রবেশ বা ক্রসিং-এর জন্য পশ্চিম পাশে আসলে রেলগেইট বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ রাখা হয়। সেই সময় উভয় দিকে দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষমাণ যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি না থাকায় মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য গাড়ি দুই লেন দখল করে বিশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। এ থেকেই সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট।ডিউটিরত ট্রাফিক পুলিশ সেলিম আহমদ জানান,গাডি চালক সড়কের নিয়ম বুঝে চলে না । স্থানীয়রা অভিযোগ , কাস্তেরাইল সডয়কের প্রবেশমুখ প্রশস্ত করলে যানযট নির্মূল হবে।
ট্রাফিক পুলিশ থাকালে ও চালকদের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা কমছে এবং বিশৃঙ্খলা বেড়েই চলছে। কদমতলীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকেও নিয়মভঙ্গের ঘটনা নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। জেলা সড়ক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (RTA) নির্দেশনা অনুযায়ী সকল আন্তঃজেলা বাসের বাইপাস সড়ক হয়ে চন্ডিপুল পয়েন্ট ব্যবহার করে শহর ত্যাগের কথা। কিন্তু বিপুলসংখ্যক বাস নিয়ম অমান্য করে অপরিসর স্টেশন রোড ব্যবহার করছে।
অথচ পরিবহন মালিক সমিতি বা শ্রমিক ইউনিয়নের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। এবিষয়ে সিলেট জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হলেন আবুল কালাম জানান যানযট সমাধান সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া সমস্যা সমাধান হবে না । আমরা নবনিবাচিত খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরে সাথে এবিষয়ে সাক্ষাত করব। পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যুক্তি সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জানান—“নিয়ম অনুযায়ী সব গাড়িকেই বাইপাস সড়ক ব্যবহার করতে হয়।
তবে কোনো সময়ে বাইপাসে সমস্যা দেখা দিলে যাত্রীদের সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানোর স্বার্থে স্টেশন রোড ব্যবহার করা হয়। বিনা প্রয়োজনে যাতে এই রুট ব্যবহার না করা হয়, সে বিষয়ে শ্রমিকদের নির্দেশনা দেওয়া হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া সমস্যা সমাধান নয় নগরবাসীর মতে, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, নিয়মিত নজরদারি, রুট নির্ধারণে কঠোরতা রেলগেইট ও আশপাশের এলাকায় ৈযানজট কোনোভাবেই কমানো সম্ভব নয়। দিনে দিনে অব্যবস্থাপনার মাত্রা বাড়তে থাকায় শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথটি এখন মানুষের দুর্ভোগের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।