২:২৬ পূর্বাহ্ণ
গোয়াইনঘাটের আন্দুদিঘিতে পোনা অবমুক্তকরণ ও সুফলভোগীদের সাথে মতবিনিময়
মৎস্য অধিদপ্তরের জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক মোঃ আলীমুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন হাওর বাওর বেষ্টিত সম্ভাবনাময় জনপদ সিলেট অঞ্চল। রত্নগর্ভা এই জনপদের অনেক পতিত জলাশয় রয়েছে। বর্তমান সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। আগামীদিনের খাদ্য ঘাটতি মোকাবেলায় মৎস্য সেক্টরকে সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে।
ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত জাতি গঠনে পতিত জলাশয়ে সনাতনী পদ্ধতি পরিহার করে আধুনিক নিবিড় মাছ চাষের আওতায় আনতে হবে। গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়নের পুনঃখননকৃত আন্দুদিঘিতে পোনা অবমুক্তকরন ও সুফলভোগীদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল বুধবার পুকাশ হাইস্কুল এন্ড কলেজে বর্ণিল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান।
তিনি গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন পতিত জলাশয় খননে পিডি সাহেবের সহযোগিতা কামনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল খায়ের। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন বাংলাদেশে মৎস্যচাষে বিপ্লব সৃষ্টি হয়েছে। তিনি সকলকে মৎস্যচাষে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
পুনঃখনন কাজের উদ্যোক্তা সাবেক চেয়ারম্যান সাংবাদিক এম এ রহিম এর পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আহম্মেদ কবির খান ও পুকাশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান। প্রোগ্রামে সার্বিক সহযোগিতা করেন মৎস্য চাষ প্রকৌশলী নৃপেন্দ্র চন্দ্র সরকার, ইউপি সদস্য লোকমান আহমদ, সাবেক মেম্বার সিরাজ উদ্দিন, সুফলভোগী দলনেতা কৃষ্ণ দাস ও বাদল দাস, সমাজকর্মী মতিউর রহমান ও সাইফুর রহমান প্রমুখ। আন্দুদিঘিকে দৃষ্টিনন্দন করার জন্য প্রধান অতিথি সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন বলে আশ্বাস দেন। এর আগে প্রধান অতিথি জলাশয়ের পাড়ে ফলজ গাছের চারা রোপন করেন এবং কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।