মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০ ২৬
বিজ্ঞপ্তি
২১ আগস্ট ২০ ২১
১:৪২ পূর্বাহ্ণ

মুক্তিযোদ্ধার নজিব আলীর শয্যপাশে সিলেট মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড নেতৃবৃন্দ

সিলেট কানাইঘাটে লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী নজিব আলীসহ তার পরিবারের উপর সন্ত্রাসী হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত মুক্তিযোদ্ধার শয্যাপাশে মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড সিলেট জেলা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান এর নেতৃবৃন্দরা।

আজ শুক্রবার বিকালে আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী নজিব আলীকে ওসমানী হাসপাতালে দেখতে যান ও শারীরিক অবস্থার খোজ-খবর নেন তারা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জামালগঞ্জ থানা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাসিম, মুক্তিযুদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সিলেট জেলা ও মহানগর প্রতিনিধি নূর আহমদ কামাল, মুক্তিযুদ্ধা যুব কমান্ড সিলেট জেলা সভাপতি জিল্লুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধা যুব কমান্ড নেতা সুজন মিয়া, অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড সিলেট জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, শ্রম ও বিষয়ক সম্পাদক মামুন আহমদ, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ডের সহ সভাপতি রফিক তালুকদার, সৌরভ আহমদ, বিলাল আহমদ সহ মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ডের নেতৃবৃন্দরা।

এসময় নেতৃবৃন্দরা বলেন, কানাইঘাটে লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী নজিব আলীসহ তার পরিবারের উপর হামলাকারীদের এমন শাস্তি দিতে হবে ভবিষ্যতে যাতে আর কেউ এ ধরনের হামলার সাহস না পায়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং বাকী আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানানো হয়। উল্লখ্য -গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় একই ইউপির বাদশা বাজারে এনামুল হক তার পাওনা টাকা হারুন রশিদের কাছে চাইলে হারুন রশিদ টাকা না দিয়ে উল্টো নানা ধরনের গালি-গালাজ ও ভয়ভীতি দেখায়।

এতে বাদশা বাজারের ব্যবসায়ীরা বিষয়টি শালিস বিচারে দেখে দেওয়ার জন্য এক বৈঠকে বসেন। এ সময় হারুন রশিদ শালিস বিচার না মেনে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে শালিস বৈঠক কারীদের উপর হামলা চালায়। এসময় হারুন রশিদ গংদের সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হন লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাজী নজিব আলী ও তার পরিবারের লোক। তারা চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন


আমাদের ফেসবুক পেইজ