৮:২১ অপরাহ্ণ
ফাইল ছবি
দক্ষিণ সুরমায় স্কুল,মসজিদ কমিটি নিয়ে কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব নি'হত ১
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তেতলি ইউনিয়নে স্কুল ও মসজিদ কমিটি নিয়ে এর জের ধরে একজন নি*হত ও এতে ১০ দশজন আ'হত হয়েছেন।
৬ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় দিকে তেতলি ইউনিয়নের ৭ ওয়ার্ডের লক্ষিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় আহতদের রক্ষা করতে গেলে তাদের উপরও হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে ।
নিহ'ত ব্যক্তি লক্ষিপুর গ্রামের সালিশ ব্যক্তিত্ব মো. লাল মিয়া (গেদা ৬০ বছর )। এই ঘটনায় আহতরা হলেন, আনছার আলী, কাহির মিয়া,বশির মিয়া, তাহমিম আহমদ মুরাদ, রবিন, বাবুলের স্ত্রীসহ ১০জন।
আহতদের সবাইকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন । স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত গেদা’র সাথে স্কুল ও মসজিদ কমিটি নিয়ে হামলাকারী সাবেক মেম্বার আলাউদ্দিন, ইলিয়াস গংদের সাথে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল ।
এর জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় আলাউদ্দিন ও ইলিয়াস গংদের দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে গেদা ও বাবুলের বাড়িতে হামলা চালায় । এসময় নিহত গেদার ছেলে কামালের ঘরে লুটপাট করা হয়। এতে গেদা বাধা প্রদান করলে তার শরীরে ১৫/২০টি আঘাত করে হামলাকারীরা। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান ঘটনার সময় গ্রামের বাসিন্দা ও আহতরা তাকে রক্ষা করতে গেলে তাদের উপরও হামলা চালানো হয়।
এর আগে সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমা এলাকা থেকে মো. নুরুল ইসলাম (৬৫) নামে এক আমেরিকা প্রবাসীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কায়স্থরাইল এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নুরুল ইসলাম দক্ষিণ সুরমা থানাধীন কায়স্থরাইল এলাকার ২ নম্বর রোডের ২৫ নম্বর বাসার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসার বাথরুমে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ পড়ে ছিল।
এ সময় মরদেহের পাশে রান্নাঘরে ব্যবহৃত একটি দা পাওয়া যায়। ওই বাসায় নুরুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী বসবাস করতেন। এ বিষয়ে দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লাশ মর্গে আছে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড। অভিযোগ পেলে আমরা প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।