১০ :৩১ অপরাহ্ণ
জগন্নাথপুরে রাণীগঞ্জ কলেজে শিক্ষকদের মা'রামা'রি, এলাকায় উত্তে'জনা!
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাণীগঞ্জ কলেজে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সামনেই শিক্ষকদের মধ্যে হাতা'হাতি ও মা'রামা'রির ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় কলেজের অভিভাবক, শিক্ষাথর্ী ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তে'জনা বিরাজ করছে। স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবিস্যত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
কলেজের শিক্ষকরা যদি মা'রামারি করেন, তাহলে শিক্ষাথর্ীরা কোন পথে যাবে এ নিয়ে অভিভাবকেরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
রাণীগঞ্জ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলাউর রহমান ঠাকুরের বিরুদ্ধে রেজ্যুলেজন জালিয়াতি করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়া, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও কলেজ গভর্নিংবডির কমিটি না থাকাসহ শিক্ষকদের অভ্যান্তরীন কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।
এসব বিষয় নিয়ে কলেজের একাংশ শিক্ষক প্রতিবাদী হয়ে উঠেন। আরেক অংশের শিক্ষক অধ্যক্ষের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
এ নিয়ে কলেজে শিক্ষকরা দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এর মধ্যে ২৪ জুন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কলেজে গিয়ে গভর্নিংবডির কমিটি সংক্রান্ত আলোচনা করেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলাউর রহমান ঠাকুরের সঙ্গে। এ সময় অধ্যক্ষের আচরণে ক্ষুব্দ হন প্রতিবাদী শিক্ষকেরা। এ নিয়ে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনেই দুই পক্ষের শিক্ষকদের মধ্যে হাতাহতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনা নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলাউর রহমান ঠাকুরের বিরুদ্ধে হাজী চান মিয়া, কয়েছ উদ্দিন, ফখরুল ইসলাম, আল আমিন, কাওছার মিয়া মেম্বার, নিজাম উদ্দিন জালালী, ময়ূর মিয়া, মিজানুর রহমানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়া পৃথকভাবে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ দায়ের করেন কলেজের প্রতিবাদী শিক্ষক আবু খালেদ, সাইদুর রহমান ও মিছলুর রহমান। এ বিষয়ে জানতে ২৫ জুন বৃহস্পতিবার সরেজমিনে রাণীগঞ্জ কলেজে গেলে অধ্যক্ষকে পাওয়া যায়নি। তঁার মন্তব্য জানতে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে কলেজে শিক্ষকরা দুইভাগে বিভক্ত হওয়ায় পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্য পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের দাবি, কলেজের সত্য বিষয় কি তা উদঘাটিত হোক। ছাত্রদের দাবি, স্যারদের মধ্যে সমস্যা সমাধান না হলে আমরা আন্দোলন গড়ে তুলবো।