১১:৪৭ অপরাহ্ণ
বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃ*ত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান: আতাউর রহমান
বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃ'ত্যু বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানী ছিলেন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান কাণ্ডারি।
তাঁর দৃঢ় নেতৃত্ব, অসাধারণ সামরিক কৌশল, সাংগঠনিক দক্ষতা ও দেশপ্রেম মুক্তিযুদ্ধকে একটি সুসংগঠিত ও কার্যকর সামরিক রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
স্বাধীনতা অর্জনে তাঁর অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে যেসব বীর ব্যক্তিত্ব তাঁদের মেধা, সাহস ও নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।
বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে নগরীর জিন্দাবাজারস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির উদ্যোগে মহা মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী, সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এমএজি ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ডা: এম এ রকিবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন তালুকদারের পরিচালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লি: এর ডিজিএম এবং বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন খন্দকার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএমবিএফ জাতীয় সদর দপ্তরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও বিএমবিএফ সিলেট মহানগরের সভাপতি আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর, সিলেট প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি ও বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির সহ সভাপতি এম এ হান্নান, বঙ্গবীর ওসমানী জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির সহ সভাপতি হাজী মো: আনোয়ার হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুসলেহ উদ্দিন আহমদ, শ্যামল চৌধুরী, মো: বেলাল উদ্দিন, মো: খালেদ মিয়া, সাব্বির আহমদ, মো: ইউসুফ শেলু, শিরিন চৌধুরী, মোছাম্মত রুনা সুলতানা, হুসনা চৌধুরী, সাহেদা বেগম, জাহারুন্নেছা প্রমুখ।