৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ
মিথ্যা সংবাদ প্রচার করায় বিয়ানীবাজার উপজেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিবাদ
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট সিলেট মহানগর শাখার আহ্বায়ক, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য, সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সিলেট মহানগর যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি এবং আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সিনিয়র সদস্য, বিগত ২০১৬ ইংরেজি সনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ৪ নং কুচাই ইউনিয়ন পরিষদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী তরুণ রাজনীতিবিদ এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব জাকিরুল আলম জাকিরকে হেয় প্রতিপন্ন করতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক দাঙ্গাবাজ অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশনের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।
এক যুক্ত বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার সংগ্রামী সভাপতি ,এমসি কলেজ বিএ প্রথম বর্ষের মেধাবী ছাত্র সায়হান আহমদ এবং সাধারন সম্পাদক ,বিয়ানীবাজার ডিগ্রী কলেজের মেধাবী ছাত্র,আজাদুর রহমান আজাদ। এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন,জাকিরুল আলম জাকির দলের দুঃসময়ে বৃষ্টিতে ভেজা আর রোদে পোড়া শতভাগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক।যার রয়েছে দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় দলের জন্য আন্দোলন-সংগ্রামের বর্ণাঢ্য ইতিহাস। দলের চরম দুর্যোগময় মুহূর্তে এবং ওয়ান-ইলেভেনের প্রেক্ষাপটেও রাজপথে সংগ্রামী কার্যক্রম দলীয় ইতিহাসে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বিএনপি আর জামাত-শিবিরের মামলা হামলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাবরণের সেই চিত্রগুলি দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা ভুলে যায়নি।
দেশরত্ন শেখ হাসিনার একজন নিবেদিত রাজপথের যুদ্ধা, তৃণমূল হতে গড়ে ওঠা যোগ্য নেতৃত্বকে ধ্বংস করতে, চরম মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করে ভুঁইফোড় অনলাইন পোর্টাল চরম ধৃষ্টতার পরিচয় দিয়েছে। যা মৌলিক অধিকার খর্ব করার শামিল।
নেতৃবৃন্দ বলেন গণমাধ্যমের উপর কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই অথচ গণমাধ্যমের মত একটি বিশাল বড় শিল্পের, শৈল্পিক নাম "সাংবাদিক" ব্যবহার করে গণমাধ্যম শিল্পকে প্রশ্নের সম্মুখীন করছে প্রতিনিয়ত। জাতির বিবেক খ্যাত সাংবাদিক। মানুষের সম্মানের জায়গায় অধিষ্ঠিত সাংবাদিক নাম ব্যবহারের ন্যূনতম যোগ্যতা নেই,এক-সময়ের ইসলামিক টিভিতে কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিল, বেগম খালেদা জিয়ার ভাই এর মালিকানাধীন সেই টিভি ছিল জামাতের মদদপুষ্ট। পরবর্তীতে অন্যান্য চ্যানেলে কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ পেলেও উশৃংখলতা এবং ধান্দাবাজির কারণে প্রতিটি মাধ্যম গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছে।
এ ধরনের একটি বখাটে ছেলে জনৈক একটি অনলাইন পোর্টালে একজন ত্যাগী রাজনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ীকে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে চরম মানসিক বিকারগ্রস্ত এবং নির্লজ্জতার পরিচয় দিয়েছে।
আমাদের প্রাপ্ত তথ্যমতে,রাজনৈতিক ব্যক্তি কিংবা ব্যবসায়ী কিংবা সম্মানিত কোন ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন উদ্দেশ্যে নামের পূর্বে "অশালীন শব্দ"জুড়ে না দেওয়ার উপর মহামান্য হাইকোর্টের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু কাপড়ের দোকানের কর্মচারী হতে সরাসরি গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বে পরিণত হতে গিয়ে ধরাকে সরা জ্ঞান মনে করেছেন এবং শেষমেষ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আইনের প্রতি চরম অবমাননা করেছেন। নিঃসন্দেহে এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে জনাব জাকিরুল আলম জাকির কে নিয়ে অসভ্যের মত অশালীন শব্দ ব্যবহার করে, মিথ্যা বানোয়াট এবং মনগড়া বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে ,তথ্য সন্ত্রাসের আশ্রয় নিলে, আমরা সিলেট জেলা ও মহানগরের প্রতিটি ইউনিট সামাজিকভাবে সোচ্চার হব এবং আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করব। পাশাপাশি এই ধরনের ধান্দাবাজ লোক দ্বারা পরিচালিত জনৈক অনলাইন পোর্টালের বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ যারা শেয়ার করছেন তাদেরকে এ ধরনের সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার না করার অনুরোধ জানালাম অন্যতায় মিথ্যা সংবাদ শেয়ার করার দায়ে সবাইকেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতাভুক্ত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন জনাব জাকিরুল আলম জাকির। এ ব্যাপারে সবার দৃষ্টি কামনা করছি।
উল্লেখ্য এই ভুইফুড় অনলাইন পোর্টালের মাথার উপর ছাতা হিসেবে একজন প্রভাবশালী যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে নামমাত্র বিশেষ চেয়ারে অধিষ্ঠিত করে ধান্দাবাজি এবং অনৈতিক ফায়দা হালাল করছে প্রতিনিয়ত।
অপসাংবাদিকতার বন্ধ করতে, এবং অনলাইন পোর্টাল নামক নতুন গজিয়ে ওঠা ভাইরাস পোর্টাল গুলোকে বন্ধ করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা সম্মানিত শীর্ষ সাংবাদিকবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনাদের হস্তক্ষেপ এই শিল্পকে বাঁচাবে এবং সাধারন মানুষের সম্মান তোর সাথে বাঁচবো। প্রকৃত সাংবাদিকদের প্রতি আমাদের অফুরন্ত শ্রদ্ধা রইল।