রাহাত হাসান মিশকাত,শাবিপ্রবি::
১০ :২১ অপরাহ্ণ
একটাই খেলার মাঠ শাবিতে, অব্যবস্থাপনায় বছরের নয়মাসই অনুপযোগী
কথায় আছে, খেলাধুলা নাকি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সহায়তা করে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা স্বত্ত্বেও দেখা দিয়েছে খেলার মাঠের অভাব। সাড়ে ৮হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে রয়েছে মাত্র একটি খেলার মাঠ। কিন্তু সিলেট অঞ্চল বৃষ্টিপ্রবণ হওয়ায় এ খেলার মাঠ বছরের ৯মাসই থাকে খেলাধুলার অনুপযোগী। খেলাধুলার সুষ্ঠু পরিবেশ ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় আগ্রহ হারাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গেমিং, ইন্টারনেট আসক্তি, এমনকি মাদকাসক্তি দিন-দিন বাড়ছে। এমন চিত্রই দেখা দিয়েছে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সিলেট বৃষ্টি প্রবণ হওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময়ই বৃষ্টি থাকে। সবার কাছে বর্ষা নিয়ে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা স্বত্ত্বেও খেলার মাঠটি যথাযথভাবে তৈরি করা হয়নি। কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ অনেকটাই উচু-নিচু, বৃষ্টি হলেই পানি সরে যাবার মতো ঢালু অবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই পৃথক পৃথক জায়গায় পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের নেই কোন উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থাপনা। তাছাড়া মাঠের মাটিও খেলাধুলার উপযোগী নয়। বৃষ্টি হলেই জমা পানির কারণে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে খেলার মাঠ।
খেলার মাঠ নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শুধুমাত্র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বা আন্তঃবিভাগ টুর্নামেন্টের সময়ই মাঠের পরিচর্যা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বাকী সময় এ মাঠের অবস্থা দেখার কেউ নেই। বর্ষা শুরু হলে, এ মাঠ খেলার উপযোগ হারায়। লাগাতার বৃষ্টির কারণে বৃদ্ধি পায় মাঠের ঘাস। এ ঘাসের কারণে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকে এবং কাঁদার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় শারীরিক শিক্ষা দপ্তরে খেলার মাঠ সংস্কারের কথা বললেও ‘শীঘ্রই সংস্কার করা হবে’ বলে আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু দিনশেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রয়োজন ছাড়া মাঠের পরিচর্চা হয় না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
‘তবে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ অনুপযোগী থাকলেও থেমে নেই শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা। খেলাধুলার পরিবেশ বজায় রাখতে মুক্তমঞ্চ সংলগ্ন হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে নিয়মিত খেলাধুলা চালিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। তবে হ্যান্ডবল গ্রাউন্ড ছোট হওয়াই নিয়মিত মিনি টুর্নামেন্ট চলে বিভিন্ন বিভাগ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও আঞ্চলিক সংগঠনের। প্রক্টর অফিসের পূর্ব শিডিউল অনুযায়ী খেলাধুলার সুযোগ মিলে শিক্ষার্থীদের। অনেক সময় এ মাঠে টুর্নামেন্ট চলায় খেলাধুলা করতে গিয়ে ফিরে আসতে হয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের। তাছাড়া খেলার মাঠের মধ্যে একটি বৈদ্যুতিক খুটি থাকায় নানা অসুবিধা ও দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়। খেলার মাঠ থেকে এ খুটি সরাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ইতোমধ্যে কয়েকবার জানানো হলেও কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা মিলেনি বলেও অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।’
অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী শরীফ আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ খেলাধুলার মাধ্যমে বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ৩২০ একরের কিন্তু আমাদের খেলার মাঠ মাত্র একটি। যেটি প্রায় কর্দমাক্ত হয়ে থাকে। মাঠে কোন একটি ম্যাচ হলে আর কোন টিমের খেলার সুযোগ থাকে না। যার কারণে আমাদেও প্রায়ই হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে খেলতে হয়। কিন্তু হ্যান্ডবল মাঠ সমতল না হওয়ায় এবং মাঠের মাঝখানে বিদ্যুতের খুটি থাকায় খেলোয়াড়রা প্রায়ই আহত হচ্ছেন। মাঠ দুটি সংস্কার করে খেলার উপযুক্ত করে দিলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।’
ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীন বলেন, ‘শিক্ষার্থী এবং স্পোর্টস সাস্টের সাথেও মাঠের ব্যাপারে কথা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে মাঠের সংস্কারের কাজ শুরু করার জন্য শারীরিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবগত করা হয়েছে। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলার মাঠের সংকট রয়েছে, নতুন মাঠের ব্যাপারে আমি কথা বলবো। কারণ খেলার মাঠ শিক্ষার্থীদের মাদক এবং হতাশা থেকে দূরে রাখে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারম্নল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ৩২০ একর হলেও বিভিন্ন জায়গায় টিলা থাকা পর্যাপ্ত জায়গার অভাব যেখানে খেলাধুলার জন্য আদর্শ মাঠ তৈরি এবং সিলেটের মাটির প্রকৃতির কারণে মাঠ তৈরি সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের কেন্দ্রীয় মাঠটি মাটি ফেলে ভরাট এবং সংস্কারের কাজ দ্রত শুরু করা হবে। মাঠ ভরাটের কাজ আগে করার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে সম্ভব হয়নি। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা আগের মত করে ফিরিয়ে আনতে আমরা চেষ্টা করছি।’
সরেজমিনে দেখা গেছে, সিলেট বৃষ্টি প্রবণ হওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময়ই বৃষ্টি থাকে। সবার কাছে বর্ষা নিয়ে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা স্বত্ত্বেও খেলার মাঠটি যথাযথভাবে তৈরি করা হয়নি। কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ অনেকটাই উচু-নিচু, বৃষ্টি হলেই পানি সরে যাবার মতো ঢালু অবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই পৃথক পৃথক জায়গায় পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের নেই কোন উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থাপনা। তাছাড়া মাঠের মাটিও খেলাধুলার উপযোগী নয়। বৃষ্টি হলেই জমা পানির কারণে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে খেলার মাঠ।
খেলার মাঠ নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শুধুমাত্র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বা আন্তঃবিভাগ টুর্নামেন্টের সময়ই মাঠের পরিচর্যা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বাকী সময় এ মাঠের অবস্থা দেখার কেউ নেই। বর্ষা শুরু হলে, এ মাঠ খেলার উপযোগ হারায়। লাগাতার বৃষ্টির কারণে বৃদ্ধি পায় মাঠের ঘাস। এ ঘাসের কারণে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকে এবং কাঁদার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় শারীরিক শিক্ষা দপ্তরে খেলার মাঠ সংস্কারের কথা বললেও ‘শীঘ্রই সংস্কার করা হবে’ বলে আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু দিনশেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রয়োজন ছাড়া মাঠের পরিচর্চা হয় না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
‘তবে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ অনুপযোগী থাকলেও থেমে নেই শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা। খেলাধুলার পরিবেশ বজায় রাখতে মুক্তমঞ্চ সংলগ্ন হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে নিয়মিত খেলাধুলা চালিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। তবে হ্যান্ডবল গ্রাউন্ড ছোট হওয়াই নিয়মিত মিনি টুর্নামেন্ট চলে বিভিন্ন বিভাগ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও আঞ্চলিক সংগঠনের। প্রক্টর অফিসের পূর্ব শিডিউল অনুযায়ী খেলাধুলার সুযোগ মিলে শিক্ষার্থীদের। অনেক সময় এ মাঠে টুর্নামেন্ট চলায় খেলাধুলা করতে গিয়ে ফিরে আসতে হয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের। তাছাড়া খেলার মাঠের মধ্যে একটি বৈদ্যুতিক খুটি থাকায় নানা অসুবিধা ও দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়। খেলার মাঠ থেকে এ খুটি সরাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ইতোমধ্যে কয়েকবার জানানো হলেও কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা মিলেনি বলেও অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।’
অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী শরীফ আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ খেলাধুলার মাধ্যমে বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ৩২০ একরের কিন্তু আমাদের খেলার মাঠ মাত্র একটি। যেটি প্রায় কর্দমাক্ত হয়ে থাকে। মাঠে কোন একটি ম্যাচ হলে আর কোন টিমের খেলার সুযোগ থাকে না। যার কারণে আমাদেও প্রায়ই হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে খেলতে হয়। কিন্তু হ্যান্ডবল মাঠ সমতল না হওয়ায় এবং মাঠের মাঝখানে বিদ্যুতের খুটি থাকায় খেলোয়াড়রা প্রায়ই আহত হচ্ছেন। মাঠ দুটি সংস্কার করে খেলার উপযুক্ত করে দিলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।’
ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীন বলেন, ‘শিক্ষার্থী এবং স্পোর্টস সাস্টের সাথেও মাঠের ব্যাপারে কথা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে মাঠের সংস্কারের কাজ শুরু করার জন্য শারীরিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবগত করা হয়েছে। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলার মাঠের সংকট রয়েছে, নতুন মাঠের ব্যাপারে আমি কথা বলবো। কারণ খেলার মাঠ শিক্ষার্থীদের মাদক এবং হতাশা থেকে দূরে রাখে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারম্নল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ৩২০ একর হলেও বিভিন্ন জায়গায় টিলা থাকা পর্যাপ্ত জায়গার অভাব যেখানে খেলাধুলার জন্য আদর্শ মাঠ তৈরি এবং সিলেটের মাটির প্রকৃতির কারণে মাঠ তৈরি সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের কেন্দ্রীয় মাঠটি মাটি ফেলে ভরাট এবং সংস্কারের কাজ দ্রত শুরু করা হবে। মাঠ ভরাটের কাজ আগে করার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে সম্ভব হয়নি। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা আগের মত করে ফিরিয়ে আনতে আমরা চেষ্টা করছি।’
ফেইসবুক কমেন্ট অপশন
এই বিভাগের আরো খবর
পুরাতন খবর খুঁজতে নিচে ক্লিক করুন
জাগপা সিলেট জেলা ও মহানগরের মতবিনিময় সভায় ইঞ্জিনিয়ার…
যুক্তরাজ্যস্থ দিরাইবাসীর উদ্যোগে বিবিসিসিআই লন্ডন রিজিয়নের চেয়ারম্যানের সম্মানে…
জগন্নাথপুরে সংঘ'র্ষের ঘটনায় আরেকজনের মৃ*ত্যু, গ্রেফ'তার ৪
২৮ অক্টোবরের হ'ত্যাকা'ণ্ডের প্রতি'বাদে সিলেট মহানগর শিবিরের বি'ক্ষো'ভ…
বাজুস সিলেট জেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর…
অবৈধ উপায়ে বিদেশ গমন বন্ধ এবং বৈধ পন্থায়…
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেটে সমাবেশ ও র্যালি
ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী
গোলাপগঞ্জে দেশীয় অ'স্ত্রসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আ'টক
বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ক ও শ্রম খাতের উন্নয়ন নিয়ে শ্রম…
জগন্নাথপুরে গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘ'র্ষে…
অচিরেই নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে: শ্রম…
৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
৪ বছর পর সিংহাসন হারালেন গোলাম কিবরিয়া !
ছাতকের গ্রামের বাড়ীতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন শহীদ ডাঃ…
সিলেট আসা লন্ডনীরা ৫ ঘন্টা ধরে বাসে
বন্যায় বিপাকে শাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী
স্টুডেন্ট ভিসা সুখবর নয়, বিপদ
রায়হানের পরিবারের পাশে খন্দকার মুক্তাদির
সিলেটে ২৫ বছর পর হারানো ভূমি ফিরে পেল…
ব্যারিস্টার সুমন ও ইশরাতকে জরিমানা
সিলেটে আসছেন সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডা: বিলকিস ফাতেমা
কবর থেকে লাশ তোলা হবে রায়হানের
সিলেটে আলোচনার কেন্দ্র আজাদ-রণজিৎ
আমাদের ফেসবুক পেইজ