১১:৪৫ অপরাহ্ণ
লালাবাজারে রাস্তা পাকাকরণের দাবীতে শ্রম কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যান মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান
দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার ইউনিয়নের ঈদগাহ বাজার-পশ্চিম ভাগ-খালোপাড় রাস্তা পাকাকরণের দাবীতে শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার বিকেলে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে ভুক্তভোগীদের পক্ষে স্মারকলিপি প্রদান করেন স্হানীয় বাসিন্দা, নিউ নেশনের সিলেট ব্যুরো প্রধান শফিক আহমদ শফি।
স্মারকলিপি সূত্রে জানা যায়, সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজার ইউনিয়নের ঈদগাহ বাজার-পশ্চিম ভাগ-খালোপাড় রাস্তাটির পাকাকরণ নামের প্রকল্পটি শুরু থেকেই আটকে আছে নানা জটিলতায়।
এলাকার সর্ববৃহৎ জনযোগাযোগের মাধ্যম এ রাস্তাটির পাকাকরণ কাজ শুরু চার বছরেও ২ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের কাজ শেষ হয়নি। বিগত ২০২২ সালের ২৫ মার্চ সিলেট বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২১২৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ঈদগাহ বাজার-পশ্চিম ভাগ-খালোপাড় রাস্তার পাকাকরণ কাজের উদ্ভোধন করা হয়।
এর আগে ২০২১ সালে লালাবাজার ইউনিয়নের কৃতি সন্তান সাবেক সচিব জয়নুল বারীর প্রচেষ্টায় ও সাবেক চেয়ারম্যান পীর ফয়জুল হক ইকবালের সহযোগীতায় লালাবাজার ইউনিয়নের কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের সাথে এই রাস্তাটি ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
যার ফলে দ্রূত এই প্রকল্পটির টেন্ডার আহবান করা হয়। টেন্ডার শেষে যাবতীয় অফিসিয়াল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে তৎকালীন সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবের মাধ্যমে বেশ ঘটা করে রাস্তা উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্ভোধন করা হয়।
কাজ শুরু হওয়ার পর পরই দেখা দেয় ২০২২ সালের প্রলয়ঙ্কারী বন্যা। বন্ধ হয়ে যায় রাস্তার কাজ। রাস্তায় ও রাস্তার পাশে থাকা নির্মাণ সামগ্রী বানের পানিতে কিছুটা তলিয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় রাস্তা উন্নয়ন কাজ। ২০২৪ সালের ছাত্র জনতার আন্দোলনের পর এলাকার কিছু ব্যক্তিবর্গের প্রচেষ্টায় পুনরায় সে রাস্তার কাজ শুরু হয়। তিন চার কাজ চলার পর রাস্তার ১ তৃতীয়াংশ কাজ মেগাডম হয়। কিন্তু একটি অংশ আগের মতোই রয়ে যায়।
জন এবং যানচলাচলে আবার ও মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। বর্তমানে এ রাস্তায় চলাচলকারীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দুই দফায় টেন্ডার হওয়ার পরও রাস্তার পুরো কাজ শেষ না হওয়ায় চরম হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লালাবাজার ইউনিয়নের চারটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। শত বছরের ভোগান্তি দূর করতে নেওয়া এই উদ্যোগটি এখন এলাকাবাসীর জন্য ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফলে এ নিয়ে ইউনিয়নের ৪ ও ৮নং ওয়ার্ডবাসীর মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সাথে বার বার যোগাযোগ করে ও এলাকাবাসী কোন সুফল পাচ্ছেন না। এমতাবস্থায় লালাবাজার ইউনিয়নের মধবর্তী জনপদের বৃহৎ সড়ক যোগাযোগের মাধ্যম ঈদগাহ বাজার-পশ্চিম ভাগ-খালোপাড় রাস্তাটির পাকাকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।