৬:৪৬ অপরাহ্ণ
সিলেট চেম্বারের নির্বাচন নিয়ে ব্যবসায়ী ফোরামের বি.'রু'দ্ধে অ'প'প্রচার চলছে
সংগ্রাম ও ত্যাগের ফসল সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচন বানচালের ঘটনাকে অ.'শুভ প্রচেষ্টা বলে আখ্যায়িত করেছেন সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, যাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচন স্থগিত হয়েছে তাদের সাথে সিলেট ব্যবসায়ী ফোরামের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও প্রার্থীদের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।
সোমবার নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম সমর্থিত সভাপতি পদপ্রার্থী এখতেশামুল চৌধুরী বলেন, এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া আমাদের ব্যবসায়ী সমাজের গণতান্ত্রিক অধিকার ও মর্যাদার প্রতীক।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনে সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম-এর ব্যানারে আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল নিয়ে অংশগ্রহণ করছি। মোট দুটি প্যানেল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে একটি প্যানেলের অর্ডিনারি পরিচালক পদে মনোনীত ১২ জনের মধ্যে ২ জনকে নির্বাচন আপিল বোর্ড কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে। ফলে আমরা আমাদের বিজয় প্রায় নিশ্চিত জেনে নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার করেছিলাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল সংবাদ সম্মেলন করে যে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনেছেন, আমরা তার প্রতিবাদ জানাই। তাদের উপস্থাপিত তথ্যে কোনো সত্যতা নেই এবং এর সঙ্গে সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম-এর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি দাবি করেন, তারা অতীতের আন্দোলনের কিছু ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে এবং অনলাইনে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ব্য়বসায়ী ফোরাম প্যানেলের সদস্যদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এটি শুধু অন্যায় নয়, বরং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি অপচেষ্টা।
এখতেশামুল চৌধুরী বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম চায় নির্ধারিত তারিখ পহেলা নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। আমরা ব্যবসায়ীদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ এবং নির্বাচন স্থগিতের ষড়যন্ত্র রুখতে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। এখন সময় একে অপরের বিরুদ্ধে নয়, বরং নির্বাচনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধহওয়ার সময়।
দুই প্যানেল এখন একসাথে কাজ করলে তৃতীয় পক্ষের কোনো ষড়যন্ত্রই আমাদের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী এনামুল কুদ্দুস চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী নাফিস জুবায়ের চৌধুরী, পরিচালক পদপ্রার্থী জিয়াউল হক জিয়া, রেহান উদ্দিন, মোতাহার হোসেন, ইমরান হোসেন, মাজাহারুল হক, আবুল কালাম, নাহিদুর রহমান, মামুনুর রশিদ, জাহিদ উদ্দিন, আব্দুল হাদী পাবেল, আব্দুর রহমান রিপন, খন্দকার রবি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান খন্দকার শিপার আহমদ, মোহাম্মদ কবির উদ্দিন, কিবরিয়া আহমদ প্রমুখ।